এনটিআরসিএ’র ওপর নিবন্ধনধারীদের ক্ষোভ, অনুযোগ পুরনো

এনটিআরসিএ’র ওপর নিবন্ধনধারীদের ক্ষোভ, অনুযোগ পুরনো

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। ফলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদধারী কয়েক লাখ চাকরি প্রত্যাশী বিপাকে পড়েছেন। এ ঘটনার জন্য এনটিআরসিএকেই দুষছেন তারা।চাকরি প্রত্যাশীরা বলছেন, আজকে শিক্ষক নিয়োগর ওপর আদালত যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন, এমন অবস্থা তৈরির জন্য এনটিআরসিএ দায়ী। কেননা সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগের জন্য আদালতের রায়ের যে পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে, সেটির আলোকেই তৃতীয় চক্রের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারতো এনটিআরসিএ। তবে এনটিআরসিএ বলছে, আদালত ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের একক নিয়োগ দিতে বলায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। এ প্রসঙ্গে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও তৃতীয় চক্রের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক মো. শান্ত আলী দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আজকে আদালত যে রায় দিয়েছে এটির জন্য অনেকাংশেই এনটিআরসিএ দায়ী। কেননা ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের রিটের প্রেক্ষিতে এনটিআরসিএ যে আপিল করেছে সেটির শুনানির কারণে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজ পিছিয়ে গেছে। আদালত যে রায়ের পর্যবেক্ষণ দিয়েছিল সেটি বিশ্লেষণ করে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব ছিল। তবে এনটিআরসিএ সেটি না করে কয়েক লাখ নিবন্ধিত প্রার্থীদের বিপদে ফেলেছেন। তথ্যমতে, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে দুইবার গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। এর মাধ্যমে প্রায় ৩৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু এরপর আর কোনো গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে দেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় ৮০ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা একক নিয়োগের দাবিতে আদালতে মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে মামলায় রায় দেন আদালত। সেখানে ১৩তমদের একক নিয়োগের কথা জানানো হয়। কিন্তু এনটিআরসিএ ১৩তমদের একক নিয়োগ না দিয়ে রায় রিভিউ চেয়ে আদালতে আবেদন করে।এনটিআরসিএ বলছে, ১৩তমদের একক নিয়োগের আগে আদালত তাদের অন্য একটি রায়ে সমন্বিত মেধা তালিকার মাধ্যমে নিয়োগ দিতে বলেন। তাই শুধু ১৩তম ব্যাচের চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ দিতে গেলে তা রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। এজন্য আমরা রিভিউতে বলেছি একটি ব্যাচকে নিয়োগ দিলে বাকিরা মামলা করতে আদালতে যাবে। বিষয়টি নিয়ে রিভিউ আবেদন করেছে এনটিআরসিএ। রিভিউর রায়ের ওপর নির্ভর করছে এনটিআরসিএ কী করবে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনটিআরসিএ’র এক কর্মকর্তা দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমরা মেধার ভিত্তিতে সমন্বিতভাবে নিয়োগ দিতে চাই। কোনো একটি ব্যাচকে এককভাবে নিয়োগ দিতে চাই না। বারবার আদালতে মামলার কারণে তৃতীয় চক্রের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। আদালতে আমরা রিভিউ করেছি।

সেখান থেকে এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় দিলে তবেই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হবে। প্রসঙ্গত, ১-১৫তম নিবন্ধিত মেধাতালিকায় ৬ লাখ ৩৪ হাজার ১২৭ জন রয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৮২১ জনের বয়স ৩৫ বছর পার হওয়ায় তারা নিয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন না। আবার অনেকে বিভিন্ন চাকরি নিয়ে চলে গেছেন। গণবিজ্ঞপ্তির জন্য নভেম্বর পর্যন্ত ৫৭ হাজার ৩৬০টি এবং এখন পর্যন্ত নতুন প্রায় ২২ হাজারসহ প্রায় ৮০ হাজার শূন্যপদের শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রার্থীরা অপেক্ষা করছেন। গত জানুয়ারিতে ৩য় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার কথা থাকলেও আজ পর্যন্ত তা হয়নি।বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। ফলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদধারী কয়েক লাখ চাকরি প্রত্যাশী বিপাকে পড়েছেন। এ ঘটনার জন্য এনটিআরসিএকেই দুষছেন তারা।

চাকরি প্রত্যাশীরা বলছেন, আজকে শিক্ষক নিয়োগর ওপর আদালত যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন, এমন অবস্থা তৈরির জন্য এনটিআরসিএ দায়ী। কেননা সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগের জন্য আদালতের রায়ের যে পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে, সেটির আলোকেই তৃতীয় চক্রের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারতো এনটিআরসিএ। তবে এনটিআরসিএ বলছে, আদালত ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের একক নিয়োগ দিতে বলায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

এ প্রসঙ্গে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও তৃতীয় চক্রের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক মো. শান্ত আলী দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আজকে আদালত যে রায় দিয়েছে এটির জন্য অনেকাংশেই এনটিআরসিএ দায়ী। কেননা ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের রিটের প্রেক্ষিতে এনটিআরসিএ যে আপিল করেছে সেটির শুনানির কারণে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজ পিছিয়ে গেছে। আদালত যে রায়ের পর্যবেক্ষণ দিয়েছিল সেটি বিশ্লেষণ করে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব ছিল। তবে এনটিআরসিএ সেটি না করে কয়েক লাখ নিবন্ধিত প্রার্থীদের বিপদে ফেলেছেন।তথ্যমতে, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে দুইবার গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। এর মাধ্যমে প্রায় ৩৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু এরপর আর কোনো গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে দেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় ৮০ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।জানা গেছে, ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা একক নিয়োগের দাবিতে আদালতে মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে মামলায় রায় দেন আদালত। সেখানে ১৩তমদের একক নিয়োগের কথা জানানো হয়। কিন্তু এনটিআরসিএ ১৩তমদের একক নিয়োগ না দিয়ে রায় রিভিউ চেয়ে আদালতে আবেদন করে।

এনটিআরসিএ বলছে, ১৩তমদের একক নিয়োগের আগে আদালত তাদের অন্য একটি রায়ে সমন্বিত মেধা তালিকার মাধ্যমে নিয়োগ দিতে বলেন। তাই শুধু ১৩তম ব্যাচের চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ দিতে গেলে তা রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। এজন্য আমরা রিভিউতে বলেছি একটি ব্যাচকে নিয়োগ দিলে বাকিরা মামলা করতে আদালতে যাবে। বিষয়টি নিয়ে রিভিউ আবেদন করেছে এনটিআরসিএ। রিভিউর রায়ের ওপর নির্ভর করছে এনটিআরসিএ কী করবে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনটিআরসিএ’র এক কর্মকর্তা দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমরা মেধার ভিত্তিতে সমন্বিতভাবে নিয়োগ দিতে চাই। কোনো একটি ব্যাচকে এককভাবে নিয়োগ দিতে চাই না। বারবার আদালতে মামলার কারণে তৃতীয় চক্রের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। আদালতে আমরা রিভিউ করেছি। সেখান থেকে এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় দিলে তবেই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

প্রসঙ্গত, ১-১৫তম নিবন্ধিত মেধাতালিকায় ৬ লাখ ৩৪ হাজার ১২৭ জন রয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৮২১ জনের বয়স ৩৫ বছর পার হওয়ায় তারা নিয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন না। আবার অনেকে বিভিন্ন চাকরি নিয়ে চলে গেছেন। গণবিজ্ঞপ্তির জন্য নভেম্বর পর্যন্ত ৫৭ হাজার ৩৬০টি এবং এখন পর্যন্ত নতুন প্রায় ২২ হাজারসহ প্রায় ৮০ হাজার শূন্যপদের শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রার্থীরা অপেক্ষা করছেন। গত জানুয়ারিতে ৩য় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার কথা থাকলেও আজ পর্যন্ত তা হয়নি। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। ফলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদধারী কয়েক লাখ চাকরি প্রত্যাশী বিপাকে পড়েছেন। এ ঘটনার জন্য এনটিআরসিএকেই দুষছেন তারা। চাকরি প্রত্যাশীরা বলছেন, আজকে শিক্ষক নিয়োগর ওপর আদালত যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন, এমন অবস্থা তৈরির জন্য এনটিআরসিএ দায়ী। কেননা সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগের জন্য আদালতের রায়ের যে পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে, সেটির আলোকেই তৃতীয় চক্রের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারতো এনটিআরসিএ। তবে এনটিআরসিএ বলছে, আদালত ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের একক নিয়োগ দিতে বলায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

এ প্রসঙ্গে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও তৃতীয় চক্রের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক মো. শান্ত আলী দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আজকে আদালত যে রায় দিয়েছে এটির জন্য অনেকাংশেই এনটিআরসিএ দায়ী। কেননা ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের রিটের প্রেক্ষিতে এনটিআরসিএ যে আপিল করেছে সেটির শুনানির কারণে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজ পিছিয়ে গেছে। আদালত যে রায়ের পর্যবেক্ষণ দিয়েছিল সেটি বিশ্লেষণ করে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব ছিল। তবে এনটিআরসিএ সেটি না করে কয়েক লাখ নিবন্ধিত প্রার্থীদের বিপদে ফেলেছেন।

তথ্যমতে, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে দুইবার গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। এর মাধ্যমে প্রায় ৩৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু এরপর আর কোনো গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে দেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় ৮০ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। জানা গেছে, ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা একক নিয়োগের দাবিতে আদালতে মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে মামলায় রায় দেন আদালত। সেখানে ১৩তমদের একক নিয়োগের কথা জানানো হয়। কিন্তু এনটিআরসিএ ১৩তমদের একক নিয়োগ না দিয়ে রায় রিভিউ চেয়ে আদালতে আবেদন করে।এনটিআরসিএ বলছে, ১৩তমদের একক নিয়োগের আগে আদালত তাদের অন্য একটি রায়ে সমন্বিত মেধা তালিকার মাধ্যমে নিয়োগ দিতে বলেন। তাই শুধু ১৩তম ব্যাচের চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ দিতে গেলে তা রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। এজন্য আমরা রিভিউতে বলেছি একটি ব্যাচকে নিয়োগ দিলে বাকিরা মামলা করতে আদালতে যাবে। বিষয়টি নিয়ে রিভিউ আবেদন করেছে এনটিআরসিএ। রিভিউর রায়ের ওপর নির্ভর করছে এনটিআরসিএ কী করবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনটিআরসিএ’র এক কর্মকর্তা দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমরা মেধার ভিত্তিতে সমন্বিতভাবে নিয়োগ দিতে চাই। কোনো একটি ব্যাচকে এককভাবে নিয়োগ দিতে চাই না। বারবার আদালতে মামলার কারণে তৃতীয় চক্রের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। আদালতে আমরা রিভিউ করেছি। সেখান থেকে এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় দিলে তবেই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হবে। প্রসঙ্গত, ১-১৫তম নিবন্ধিত মেধাতালিকায় ৬ লাখ ৩৪ হাজার ১২৭ জন রয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৮২১ জনের বয়স ৩৫ বছর পার হওয়ায় তারা নিয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন না। আবার অনেকে বিভিন্ন চাকরি নিয়ে চলে গেছেন। গণবিজ্ঞপ্তির জন্য নভেম্বর পর্যন্ত ৫৭ হাজার ৩৬০টি এবং এখন পর্যন্ত নতুন প্রায় ২২ হাজারসহ প্রায় ৮০ হাজার শূন্যপদের শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রার্থীরা অপেক্ষা করছেন। গত জানুয়ারিতে ৩য় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার কথা থাকলেও আজ পর্যন্ত তা হয়নি।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close