চিরতরে ব্রণ সমস্যা দূর করার জাদুকরী উপায়। ত্বক সমস্যার সমাধান

চিরতরে ব্রণ সমস্যা দূর করার জাদুকরী উপায়। ত্বক সমস্যার সমাধান

আমরা সবাই আমাদের ত্বক নিয়ে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হই। তার মধ্যেই সবার একটি কমন সমস্যা হল ব্রণ ও ব্রণের দাগ। বন্ধুরা, আজকে আমি ত্বক হতে ব্রণ দূর করার কিছু টিপস শেয়ার করছি। এই টিপসগুলো অনুসরণ করলে আপনাদের ত্বক হতে ব্রণ দূর হয়ে যাবে এবং ত্বকের মধ্যে ব্রণ আর ফিরে আসবেনা।

এই টিপসগুলোতে ব্রণের সমস্যা এবং এর প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করব। এই টিপসগুলোতে ব্রণ দূর করার পাশাপাশি ব্রণের দাগ দূর করার জন্য কিছু টিপস থাকবে। এই টিপসগুলো আপনাদের ত্বকের ব্রণ সমস্যার সমাধান দিবে অর্থাৎ ব্রণ দূর করার উপায় হিসেবে কাজ করবে। তো বন্ধুরা চলুন, কিছু নিয়ম অনুসরণ করে আমরা কিভাবে ব্রণমুক্ত ত্বক পেতে পারি তা জেনে নিই।

ব্রণের ধরণঃ ব্রণ সাধারণত দুই ধরণের হয়ে থাকে ১। শুকনো ছোট ছোট ধরণের বিশেষ রকম ব্রণ। যা গালে নাকে ও কপালের চারপাশে হয়ে থাকে। ২। বেশ বড় আকারের ব্রণ। এই ব্রণগুলো মুখের মধ্যে হলে বেশ যন্ত্রণা হয়। এই ব্র্যান্ডগুলো মুখের যেকোনো জায়গায় হতে পারে ব্রণ সমস্যা দূর করার উপায়ঃ

১ । প্রতিদিন অন্তত দিনে চারবার জীবাণুনাশক সাবান অথবা শিশুদের ব্যবহারযোগ্য সাবান দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এই সময় খেয়াল রাখতে হবে কাপড় কাঁচার সাবান অথবা গায়ে মাখা সাবান ব্যবহার করা যাবে না। ২। প্রতিদিন সকালে সাবান দিয়ে মুখ ধোয়ার পর কুসুম গরম পানির মধ্যে অল্প তুলসী পাতা বেটে মিশিয়ে দিয়ে এই গরম পানির ভাপ নিতে হবে। গরম পানি দিয়ে ভাপ নেবার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে।

গরম পানি দিয়ে ভাপ নিলে আমাদের লোমকূপগুলো বড় হয়ে যায় আর লোম কুপের মধ্যে পরবর্তী সময়ে ময়লা আটকে যেতে পারে। তাই যেকোনো সময় গরম পানি দিয়ে মুখ ধুলে এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে আবার মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এভাবে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুলে মুখের লোমকূপগুলো সংকুচিত হয়ে যাবে।

৩। ত্বকে যাদের ব্রণ হয় তাদের সবারই একটা খুব বাজে অভ্যাস হলো হাত দিয়ে ব্রণ খুঁচা ।এভাবে হাত অথবা নখ দিয়ে ব্রণ খুঁচার ফলে ত্বকের মধ্যে ব্রণ সংক্রমিত হয়ে পুরো মুখে ব্রণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ত্বকের মধ্যে ব্রণ এর ফলে যতই ব্যাথা বা যন্ত্রণা হোক না কেন হাত বা নখ দিয়ে ব্রণ খুঁচাবেন না ।

৪। ব্রণ থাকা অবস্থায় মুখের মধ্যে কোন তৈলাক্ত পদার্থ বা ক্রিম ব্যবহার করবেন না।এক্ষেত্রে শুধু ব্রণের উপযোগী ক্রিম, ফেসপ্যাক অথবা লোশন ব্যবহার করতে পারেন। আসলে বেশ কিছু খবরে খাবারে(food) এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যেমন ধরুন নিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা বয়স তো কমায়, সেই সঙ্গে শরীরকেও চাঙ্গা রাখে। শুধু তাই নয়, একাধিক মারণ রোগকে ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। ফলে আয়ু বাড়তে সময় লাগে না।

১. দই: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন দই খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতরে প্রোটিনের ঘাটতি দূর হয়, সেই সঙ্গে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে রাইবোফ্লবিন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি১২ এর মাত্রাও বাড়তে থাকে, যার প্রভাবে শরীরের বয়স (age) কমে চোখে পরার মতো। সেই সঙ্গে একাধিক রোগের খপ্পরে পরার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।আরো পড়ুন যে ৫ কারণে মেয়েদের বেশি আকর্ষণীয় মনে হয় ২. অলিভ অয়েল: অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি মনোসেচুরেটেড ফ্য়াটে ভরপুর এই তেলটি (oil) ক্যান্সার প্রতিরোধ করার পাশাপাশি বয়সজনিত নানা অসুবিধা কমাতেও দারুন কাজে আসে।

৩. জাম: এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ,যা বয়স (age) বাড়ার গতিকে আটকায়। শুধু তাই নয়, ক্র্য়ানবেরি, স্ট্রবেরি এবং অবশ্য়ই ব্লেক বেরি শরীরের সার্বিক গঠনের উন্নতি ঘটাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই প্রতিদিন যদি এই ফলটা খাওয়া যায়, তাহলে শরীরের ভাঙন রোধ হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীর এবং ত্বকের সৌন্দর্য বাড়তে শুরু করে।

৪. বাদাম: শরীরকে ভাল রাখতে উপকারি ফ্য়াটেরও প্রয়োজন পরে। তাই প্রতিদিন বাদাম খান মুঠো ভরে। এতে উপকারি ফ্য়াটের পাশাপাশি রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে দারুন কাজে আসে। ৫. সবুজ শাকসবজি: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে কপি পাতা এবং পালং শাকে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট নামে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা সেলের ক্ষয় আটকে ত্বক এবং শরীরে বয়স (age) ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close