নিজের লিভার দিয়ে মাকে বাঁ’চালেন শরিফুল

নিজের লিভার দিয়ে মাকে বাঁ’চালেন শরিফুল

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভা’র্সিটির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শরিফুল ইস’লাম মায়ের প্রতি ভালোবাসার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন । লিভা’রের একটি অংশ মাকে দিয়েছেন তিনি। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভা’র্সিটির ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেজে রোববার এ তথ্য জানান হয়।

হাসপাতা’লের কেবিনে অ’সুস্থ মা। কোন ছে’লের মন কি ভালো থাকতে পারে। ডাক্তার বললেন মায়ের সুস্থতার জন্য দরকার লিভা’র প্রতিস্থাপন। তাৎক্ষণিক কোন কিছু না ভেবেই নিজের লিভা’রের কিছু অংশ মাকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন শরিফুল।

ডাক্তার প্রথমে একটু চিন্তিত হলেও মায়ের প্রতি শরিফুলের ভালোবাসা দেখে লিভা’র প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নিলেন। বারডেম হাসপাতা’লের অ’পারেশন থিয়েটারে পাশাপাশি শরিফুল আর তার মা।কয়েক ঘন্টার প্রচেষ্টায় একটি সফল অ’পারেশনের মাধ্যমে জীবন যু’দ্ধে পরাজিত হতে যাওয়া মাকে জিতিয়ে দিলেন শরিফুল। আমাদের আত্মতৃপ্তিঃ আম’রা প্রতিনিয়তই গর্ব করি আমাদের শিক্ষার্থীদের নিয়ে। তাদের সফলতায় আম’রা আনন্দ পাই।

তাদের ব্যর্থতায় আম’রাও ব্যর্থতা অনুভব করি। আম’রা বিশ্বা’স করি শুধু পাঠ্য পুস্তকের শিক্ষা দিয়েই শিক্ষিত করে তোলা যায় না। পাঠ্য পুস্তকের পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে উঠুক আমাদের শিক্ষার্থীরা। অ’তঃপর তাদের পরিবার, সমাজ, দেশ তথা বিশ্বের কল্যানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। পূনশ্চঃ আলহাম’দুলিল্লাহ! আল্লাহর অশেষ রহমতে শরিফুল এবং তার মা এখন সুস্থ এবং ভালো আছেন’। আরও সংবাদ এ দেশ সকলের, ধর্মের নামে কোনও বিভেদ সৃষ্টি করতে দেবো না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সাড়ে ১৬ কোটি বাঙালির বাংলাদেশ। এ দেশ সকলের। এ দেশে ধর্মের নামে আমরা কোনও ধরনের বিভেদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেবো না। ধর্মীয় মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে দেশের মানুষ প্রগতি, অগ্রগতি এবং উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবেন।

মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তার পেছনে শোভা পাচ্ছিল সর্ষেক্ষেত আর গ্রাম বাংলার ছবি। ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান – সকল ধর্মের-বর্ণের মানুষের রক্তের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। যার যার ধর্ম পালনের অধিকার এ দেশের প্রত্যেক নাগরিকের আছে। “এ বাংলাদেশ লালন শাহ, রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল, জীবনানন্দের বাংলাদেশ। এ বাংলাদেশ শাহজালাল, শাহ পরাণ, শাহ মখদুম, খানজাহান আলীর বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ শেখ মুজিবের বাংলাদেশ; সাড়ে ষোল কোটি বাঙালির বাংলাদেশ। এ দেশ সকলের।এ দেশে ধর্মের নামে কোনো ধরনের বিভেদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে আমরা দেব না। ধর্মীয় মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে এ দেশের মানুষ প্রগতি, অগ্রগতি এবং উন্নয়নের পথে যাবেন।

প্রাণঘাতী ভাইরাসের ছোবল সত্যেও দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘এ বছরটি শুধু আমাদের জন্যই নয়, বিশ্ববাসীর জন্য এক দুর্যোগময় বছর। বিশ্ব অর্থনীতি এক কঠিন সময় অতিক্রম করছে। করোনাভাইরাসের মহামারির ফলে অনেক উন্নত এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশে আমরা সময়োচিত পদক্ষেপ এবং কর্মসূচি গ্রহণ করে এই নেতিবাচক অভিঘাত কিছুটা হলেও সামাল দিতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায় ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি, যা জিডিপি’র ৪.৩ শতাংশ। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ২.৫ কোটি প্রান্তিক মানুষকে নগদসহ নানা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ধাক্কা সামলিয়ে আমাদের প্রবাসী আয়, কৃষি উৎপাদন এবং রফতানি বাণিজ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। গত অর্থবছরে ৫.২৪ শতাংশ হারে আমাদের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রক্ষেপণ বলছে ২০২০ সালে বাংলাদেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধি হবে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close