ছেলেদের মধ্যে যা পেলে মেয়েরা দু’র্বল হয়ে যায়!

ছেলেদের মধ্যে যা পেলে মেয়েরা দু’র্বল হয়ে যায়!

নারী শব্দটির মধ্যেই যেন পৃথিবীর সমস্ত রহস্য লুকিয়ে আছে। নারীরা চপলমতি হন, স্থির বুদ্ধিসম্পন্ন হন আবার ভাবুক প্রকৃতিরও হন। নারীরা ভিন্ন দেহ বৈচিত্র্য এবং ভিন্ন রূপ বৈচিত্র্যের অধিকারী হন, ভিন্ন তাঁদের চাওয়া পাওয়া।কিন্তু একটি দিকে তারা সবাই অনেকটা একই রকম হয়ে থাকেন।আর সেটা হলো প্রেমিক পুরুষের ক্ষেত্রে। যেমন এমন অনেক কথা আছে যেগুলো নারীরা পুরুষদের মুখ থেকে শুনতে ভীষণ পছন্দ করেন। তাই নারীকে খুশি করার জন্য একঝাঁক তরুণ গবেষণা করে সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু বাক্য খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়েছেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক নারীকে খুশি করার সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু বাক্য।১.তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে : এটা খুবই সাধারণ একটি কথা যা প্রতিটি নারী তাদের আকাঙ্খিত পুরুষদের কন্ঠ থেকে শুনতে পছন্দ করেন।

সেই নারী হোক সুন্দর বা অসুন্দর তবু এই কয়েকটি শব্দ তাদেরকানে লাগে সুমধুর। কোনো পুরুষ যদি মুগ্ধতার বশে বলে নয়ে তোমাকে আজ বেশ সুন্দর লাগছে তাহলে নারীরা খুশি হয়ে যান। এই বাক্যটি তখন তাদের কাছে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ বাক্য মনে হয়।২.তুমি আমার জীবনের প্রথম নারী : প্রতিটি নারীই চানতার পুরুষটি যেন তাকে অনেক বেশি ভালোবাসেন এবং তাকে ছাড়া যেন দ্বিতীয় কোনো নারীর দিকে তারা না তাকান। আর তিনি হয়ে থাকেন সেই পুরুষের জীবনের প্রথম নারী তাহলে তার জীবনে অপূর্ণতার আর কিছুই থাকে না। পুরুষ সঙ্গীটির মুখে একজন নারী শুনতে চান যে ‘তুমি আমার জীবনের প্রথমনারী’ এই বাক্যটি। সেটি যদি মিথ্যাও হয়ে থাকে তারপরও তার কাছে সেটি চরম সত্যি কথা।৩.তুমি অনেক আবেদনময়ী : অন্যান্য কথার সাথে এই কথাটাও অনেক প্রিয় একজন নারীর কাছে।পুরুষসঙ্গীটি বেশি আবেদনময়ী বলে পছন্দ করেন এটি তার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সত্য বলে তার মনে হয়।৪.তুমি কি আমার সাথে তোমার সারাটি জীবন কাটাবে :

প্রতিটি মানুষের আলাদা কিছু সত্ত্বা রয়েছে। এ কারণে আলাদা সত্ত্বার মানুষগুলো ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।ভিন্ন ভিন্ন সত্ত্বার মানুষগুলোর জীবন সঙ্গীকে প্রপোজ করার পদ্ধতিও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। একজন নারী বৈচিত্র্যপূর্ণভাবে প্রপোজে বেশি খুশি হয়। তার মধ্যে এটি একটি যেমন তুমি কি আমার সাথে তোমার সারাটিজীবন কাটাবে?এ ধরনের বাক্যেও একজন নারী অনেক বেশি খুশি হয়ে থাকেন।৫.তুমি কি মনে করো : কোনো একটা বিষয়ে যদি পুরুষ সঙ্গীটিজিজ্ঞাসা করে বা জানতে চায় যে এই বিষয়টি সম্পর্কে তুমি কি মনে কর বা কোনো একটা বিষয় সম্পর্কে যদি তার মতামত জিজ্ঞাসা করে তাহলে নারীটি ভীষণ খুশি হয়ে থাকে। তারা ভাবেন যে তাদের মতামতেরওমূল্য দিচ্ছেন তারপুরুষ সঙ্গীটি।৬. তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ :এমন কথা শুনতে কার না ভালো লাগে। একজনের জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ এর চেয়ে বেশি পাওয়ার আর কি হকে পারে। এই ধরনের কথাতেও একজন নারী যার পর নাই খুশি হয়ে থাকেন। প্রেম নয় বিয়ে করুন, সম্পর্ক হোক হালাল,

উদ্দেশ্য হোক জান্নাত ১৪ ই ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস এই দিবসটি কে নিয়ে সোস্যাল মিডিয়া তে অনেক ঝড় উঠেছে ফেব্রুয়ারী মাস আসার আগে থেকেই।আমি ১৪ই ফেব্রুয়ারীর পক্ষে বা বিপক্ষে না তবে যারা সারাবছর ন’ষ্টামি করে বেড়ায় তারা যখন ১৪ ই ফেব্রুয়ারী নিয়ে হাদিস শোনায় তখন একটু ক’ষ্ট লাগে। যারা একাধিক বার প্রেমে পড়ে, কারো জন্য বি’ষ খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় আবার কিছু দিন যেতে না যেতে আরেক জনের প্রেমে পড়ে প্রেমিকের টানে দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যায় তারাই আবার ১৪ ই ফেব্রুয়ারী আসলে স্ট্যাটাস দেয় “”প্রেম নয় বিয়ে করুন,সম্পর্ক হোক হালাল,উদ্দেশ্য হোক জান্নাত””দিবস কে সম্মান করুন, আপনার পরিবারের প্রতিটি মানুষ কে এমন ভাবে জীবন চলতে শিখান যাতে কোন দিবসে তাকে ঘরে বন্দী করে রাখতে না হয়। আপনাকে অনেক

মানুষ বলবে ভালোবাসি আপনার জন্য চাঁদ তারা পেরে আনতে পারবে আপনি বললেই, আপনার জন্য জীবন টা দিয়ে দিতে পারে কিন্তু আপনার মন ঠিকই বুঝতে পারে কে আপনাকে সত্যি কারের ভালোবাসে। যান্ত্রিক জীবনে যখন মানুষ একাকীত্ব হয়ে যায় তখন একটা বিশস্ত হাত দরকার হয়। ভালোবাসা কে হারাম না বলে ভালোবাসার নামে শারীরিক সম্পর্ক করা হারাম। এমন একজন মানুষ কে আমি চিনি, চিনি বললে ভুল হবে খুব ভালো করে জানি সে আমার জন্য আকাশ থেকে চাঁদ তারা পেরে আনবে না তবে যে কোন বি’ষয়ে আমি ক’ষ্ট পেলে তার চোখে পানি আসে আমার চোখে পানি আসার আগে। আমার ভালো গুন গুলো কে যেমন ভালোবাসে তেমনি আমার খারাপ গুন গুলো কে ও ভালোবাসে। আমি নিজেও আমার সম্পর্কে এতটা খেয়াল রাখতে পারি না যতটা সে আমার বি’ষয় গুলো খেয়াল রাখে।অনেক দিন আগের কথা আমার আইডিতে এক নেত্রী খুব বাজে কিছু কমেন্ট করেছে তখন

আমি অন লাইনে ছিলাম না। সকাল বেলা তার ফোনে আমার ঘুম ভাঙ্গে সে খুবই সাবলীলভাবে আমাকে বললো রাজকন্যা তোমার আইডি তে ঢুকো কিছু কমেন্ট আছে তা ডিলিট করে দাও আর রাগ করবা না কোন কারনেই শুরু মাত্র স্কীন সট রেখে দাও। আমি আইডি তে ঢুকে অবাক কি করে একজন মেয়ে এমন কমেন্ট করতে পারে। তারপর ও আমার মনে হলো হয়তো কোথাও আমারই ভুল, সেই নেত্রীর ফোন নম্বার আমার কাছে ছিলো না আমি তার নাম্বার যোগাড় করে ক্ষমা চেয়ে নিলাম প্রায় নেত্রীর সাথে আমার এক ঘন্টা কথা হলো ক্ষমা চাওয়ার পর ও সে ক্ষমা করতে রাজি না,তখন তো আর আমার কিছু বলার থাকে না তাই ভুলে গেলাম সেই ঘটনা।আমার ভালোবাসার মানুষ টা যতবার সৃষ্টি কর্তার কাছে হাত তুলে ততবার সৃষ্টি কর্তার কাছে বলে বেহেশতে সে ৭০ টা হুর দরকার নেই আমি

যেনো তার সাথে বেহেশতে থাকি। আমি কোন মিছিলে গেলে তার বুক কাপে গ্রে’ফতার না হয়ে যায়।আমাদের দূরত্ব বা আমার ব্যস্ততায় তাকে কখনো বিরক্ত হতে দেখিনি, বরং ফোন দিচ্ছি বলে এক দিন চলে গেলেও তার কোন প্রশ্ন থাকে না বরং ফোন দেওয়ার সাথে সাথে ফোন টা ধরে।ছাত্রদলের কাউন্সিল এর তিনদিন আগে পার্টি অফিসে এক নেত্রী আমার সাথে প্রচন্ড খারাপ ব্যবহার করলো,যদিও সেন্ট্রাল এর নেত্রী না, তার মতে সে দলের স্বীকৃত প্রাপ্ত নেত্রী, এমবি এর স্টুডেন্ট আমার যোগ্যতা কি তার সাথে কথা বলার আমি তার দুই হাত চে’পে ধরে বলেছিলাম প্লিজ এটা পার্টি অফিস আস্তে বলো লোকজন শুনছে।আমি যতটা নরম সুরে তাকে কথা গুলো বলেছি নেত্রী ঠিক তার চেয়ে উচ্চ স্বরে কথা গুলো বলেছে। পরে আমি সেখান থেকে বের হয়ে আসলাম মুখটা কালো করে। বাসায় ফিরতে ফিরতে প্রিয় মানুষটা কে ফোন দিলাম কথাগুলো বলতে গিয়ে আমার চোখ দিয়ে পানি চলে আসলো।সে স্বাভাবিক ভাবে বললো আরে বোকা তুমি যেমন আছো তেমনি থেকো সারাজীবন। কে কি বললো তা শুনে যদি মন খারাপ করো তাহলে তো তুমি পিছনে পরে যাবে সামনে যেতে পারবে না। এরপর তো আরো অনেক কথা কখন যে মন ভালো হয়ে গেছে বুঝতেই পারিনি।যেদিন ছাত্রদলের আংশিক কমিটি হলো তার এক সাপ্তাহ আগে থেকে আমার এক মাত্র বড় ভাই হাসপাতালে ভর্তি তো কমিটি যেদিন দেয় তার আগের দিন স্পষ্ট করে আমাকে বলে দিয়েছে এক বিন্দু মন খারাপ করবে না কমিটি তে তুমি কোথাও থাকবে না, না আংশিক না পূর্নাঙ্গ তে সো তুমি এই বি’ষয় নিয়ে কারো সাথে কোন কথা বলতে যাবে না।এমন অনেক ছাত্রনেতা আছে সেন্ট্রাল এর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক হয়েও রাজনীতি থেকে হারিয়ে গেছে আমার বিশ্বাস তুমি অনেক বুদ্ধিমতি, তুমি তোমার আদর্শ ভুলে যেওনা। তুমি খালেদা জিয়ার সৈনিক,পরিশ্রম করে যাও হঠাৎ করে এমন এক সফলতা তোমার কাছে আসবে যা তুমি কল্পনা ও করোনি। আমার সত্যি সত্যি মন খারাপ হয়নি।এবং আজ পর্যন্ত কউকে আমি কমিটির বেপারে কিছু জিজ্ঞেস করিনি।কয়েক দিন আগে আমার খুব মন খারাপ তার প্রশ্ন কোন ভনিতা ছাড়া কি হয়েছে বলো ? আমি বললাম আমি লাল জামা পড়ি সাজোগুজো করি তাই ওরা আমাকে রাজনীতি করতে দিবে না। সে হাসতে হাসতে শেষ বললো তোমাকে আমি এক সাথে ৩৬৫ টা লাল জামা কিনে দিবো তুমি প্রতিদিন একটা করে লাল জামা পড়বা সেজেগুজে বের হবা, সব মিটিং মিছিলে যাবা সবার পিছনে দাঁড়াবা বিশ্বাস করো তোমার পিছনে যে লাইন থাকবে তা সামনের লাইন থেকে কোন অংশে ছোট হবে না।আমি সাজি না সাজি পেত্নীর মত থাকি তার কাছে আমি সব সময়ই চাঁদকুমারী।এগুলো কে কি বেহায়া পনা বলে।আমি প্রায় সময় বলি আমি কি তোমাকে খুব জ্বালাই সে স্বাভাবিক ভাবে বরাবরই উত্তর দেয় আমি বিশ্বাস করি আমার বা পাঁজরের বাঁকা হাড় দিয়ে তোমার জন্ম, তো তুমি তো একটু বাঁকা হবা এটাই স্বাভাবিক।আমার ফেসবুকে যারা এড আছেন তারা ভালো করে জানেন আমি তাদের সাথে কেমন আচরণ করি। তবে রাজনীতি তে স্বয়ংক্রিয় হওয়ার আগে আমার ভাই ছিলো একটা এখন আমার হাজার হাজার ভাই এবং আমি মনে প্রানে বিশ্বাস করি তারা আমার আপন ভাইয়ের মত আপন। হঠাৎ একদিন ল ক্লাস থেকে বাসায় গিয়ে চমকে গেলাম এক নেত্রী তার বয় ফ্রেন্ড কে নিয়ে হোটেল রুমে নামাজ

পড়তেছিলো সেই ছবি নাকি আমি তার জিমেইল হ্যাক করে নিয়ে ভাইরাল করে দিছি তাই আমার নামে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আচ্ছা আপনারা বলেন তো কারা আপত্তি কর ছবি তুলে মোবাইল এ রাখে? যেখানে বিএনপি করার অ’পরাধে লক্ষ লক্ষ মা’মলা হচ্ছে সেখানে সে কথায় কথায় প্রশাসনের হু’মকি দেয় তো বিষয় টা কি এমন না দিনে বিএনপি রাতে আওয়ামী লীগ।মন্তব্য করার আগে বুঝার চেষ্টা করুন বিষয় টা কি তারপর তা নিয়ে মন্তব্য করুন।কোন দিবসে যদি আপনার ঘরের মা, বোন, মেয়ে কে ঘরে আ’টকে রাখতে হয় তাহলে ভেবে নিবেন আপনার পরিবারের শিক্ষায় ভুল আছে।পরিবারের শিক্ষায় বড় শিক্ষা, পরিবার থেকে আমরা প্রথম শিক্ষা গ্রহণ করি। কথায় কথায় সততার কথা বলি অথচ সততার বালায় বিন্দু পরিমাণ না থাকলে অন্য কে স’ন্দেহর দৃষ্টিতে দেখি।আমার কথা গুলো কাউকে উদ্দেশ্য করে লেখা না, কেউ টেনে নিজের দিকে নিয়ে পাঁয়ে পারা দিয়ে ঝ’গড়া করতে আসেন তাহলে আগেই সরি বলে নিচ্ছি, কারন আমি না কিছু টা বদলে গেছি উত্তর টা কিভাবে দিতে হয় আগেও জানতাম ভদ্রতা দেখিয়ে দেইনি, এখন কিন্তু ভদ্রতা একটু কম দেখাবো। গ্রামের মানুষ আমি খুব বেশি বুঝি না তবে এতটুকু জানি আমাদের এখনো একটা বাসের ঝার আছে……….লেখাঃ মাকসুদা মনি

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close