ডা. দেবী শেঠীর ১৪টি স্বা’স্থ্য টিপস, যা মেনে চলে এড়া’নো যায় বড় বড় অনেক রো’গ

ডা. দেবী শেঠীর ১৪টি স্বা’স্থ্য টিপস, যা মেনে চলে এড়া’নো যায় বড় বড় অনেক রো’গ

স্বা’স্থ্যই সকল সুখের মূল। সেই স্বা’স্থ্য যদি ভালো না থাকে তাহলে আপনি কি সুখে থাকবেন? আপনার শ’রীর যদি ভালো না থাকে তাহলে কোন কিছুতেই ভালো থাকা যায় না। তাই শ’রীর সবসময় সু’স্থ রাখার জন্য আমাদের অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয়।

স্বা’স্থ্য স’চেতনতা এখনকার সময়ে স’বচাইতে গু’রুত্বপূর্ণ জি’নিস। ছোট ছোট কিছু নিয়ম মেনে চলে এড়ানো যায় বড় বড় অনেক রো’গ।ডা. দেবী শেঠীকে কে না চিনেন। উপমহাদেশের আলোচিত হৃ’দরো’গ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. দেবী প্রসাদ শেঠির কিছু স্বা’স্থ্য উ’পদেশ মেনে চলে আপনিও পেতে পারেন সু’স্থ-সতেজ শ’রীর। আসুন জে’নে নেই ডা. দেবী শেঠীর’র কিছু স্বা’স্থ্য উপদেশ।

ডা. দেবী শেঠীর ১৪টি স্বা’স্থ্য টিপস- ১) খুব ধীরে ধীরে চেষ্টা ক’রতে ক’রতে কয়েক মাসের মধ্যে সকালে ঘুম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এর পর বাথরুমে যান। ২) বাথরুম থেকে ফি’রে এসে আরও এক গ্লাস পানি খান এবং তার পর খান দুধ ছাড়া খুব হালকা এক কাপ চা। আপনার ওজন বেশি হলে চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। চা কখনোই অতিরি’ক্ত গরম খাবেন না। ৩) সারা দিনে ৮ থেকে ১২ গ্লাস বাড়তি পানি খাবেন। ৪) পানি খাওয়ার নাম হচ্ছে হাইড্রোথেরাপি বা জলচিকিৎ’সা।

মূলত এটি হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার বছরের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎ’সা। আধুনিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে- ঘুম থেকে উঠে ধীরে ধীরে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে প্রায় ৩৬ ধ’রণের রো’গ হয় না এবং হলেও সেরে যায়। ৫) অপর পক্ষে, দুধহীন এবং দুধ-চিনি-হীন হালকা গরম চা হচ্ছে আড়াই হাজার বছর আগের একটি চা’য়নিজ হারবাল মেডিসিন ।

সেকালে এই চা দিয়ে হার্ট, ব্লাড প্রেসার (উচ্চ র’ক্তচা’প) ও পে’টের নানা রকম রো’গের চিকিৎ’সা করা হতো। আবার আ’ধুনিক বৈ’জ্ঞানিক বি’শ্লেষণে দেখা যাচ্ছে- চায়ে রয়েছে অ্যা’ন্টিঅিডেন্ট, যা ক্যা’ন্সার প্র’তিরো’ধে নি’শ্চিত অবদান রাখে। এ ছাড়াও অন্য বহুগুণ রয়েছে চায়ে। তবে যে চা-টা প্র’ক্রিয়াজাত হয়নি, সে চায়ের গু’ণাগুণই অপেক্ষাকৃ’ত ভালো।

৬) ভিটামিন সি একটি বৈ’প্লবিক খা’দ্যপ্রা’ণ এর গু’ণাগুণ অসংখ্য। জা’না গেছে, দিনে ১ হাজার মি’লিগ্রাম ভিটামিন সি খেলে মানুষ চির তরুণ থাকে। তবে ট্যাবলেট খেলে কিছুই উপ’কার পাওয়া যায় না। প্রতিদিনই কমবেশী খেতে হবে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ তাজা ফলমূল। ভিটামিন সিও ক্যা’ন্সার ঠে’কাতে সাহায্য করে। আমলকি, সব ধ’রনের লেবু, টমেটো, কমলা, পেয়ারা, নানা রকর টক স্বাদের ফলে বিভিন্ন মাত্রায় ভিটামিন সি রয়েছে। ৭) ধূমপানসহ সকল ধ’রণের নে’শা জাতীয় অভ্যাস ত্যা’গ ক’রুণ। কারণ নে’শা মানুষকে সকল দিক দিয়ে ধ্বং’স করে দেয়।

৮. রেডমিট অর্থাৎ গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া ইত্যাদির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। ফার্মের মুরগিও চলবে না। শুধু চর্বিহীন বাচ্চা মুরগির মাংস খাওয়া চলতে পারে। ৯) প্রচুর পরিমাণে আধা-সেদ্ধ শাক-সবজি, তরিতরকারি এবং খুব অল্প পরিমাণে ভাত-রুটি খাওয়া উচিত। ভা’জাভুজি খাবেন না। অতিরি’ক্ত তেল, চর্বি, ঘি, মাখন খাবেন না। মসলার বিভিন্ন ভেষজ গুণ আছে, তবুও রান্নায় খুব বেশি মসলা ব্যবহার করবেন না।

১০) সালাদ হিসাবে প্রতিদিন বেশি করে খাবেন কাঁচা লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা, টমেটো ইত্যাদি। ১১) বিধিনি’ষেধ না থাকলে সকালে খালি পে’টে এক চামচ মধু খাবেন। ১২) ছোট-বড় সব ধ’রনের মাছ খাবেন। সমুদ্রের মাছ খাওয়া অভ্যাস ক’রতে পারলে তো খুবই ভালো। কেননা, এটা মহৌষধ। গাদা-গাদা মাছের কাটা খাওয়া ঠিক নয়। ওতে পা’কস্থলিতে পাথর হতে পারে।

১৩) সূ’র্যমূখী ফুলের বীজ হচ্ছে হার্টের ভেষজ ওষুধ। রা’ন্নায় সূ’র্যমূখী তেল ব্যবহার করলে হা’র্টের সুর’ক্ষা যেমন হয়, তেমনি হার্টের অসুখ থাকলে তা সারাতে সাহায্য করে। ১৪) প্রতিদিন অল্প একটু টক দই খাওয়ার অভ্যাস করুন। টক দই উচ্চ র’ক্তচা’পকে নি’য়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে ।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close