হঠাৎ দিহানের মায়ের যে কথা ভা’ই’রাল, তবে কী’’ এটাই আসল সত্যি

হঠাৎ দিহানের মায়ের যে কথা ভা’ই’রাল, তবে কী’’ এটাই আসল সত্যি

রাজধানীর ক;লাবাগান ডল;ফিন গলিতে ঘটে যাওয়া ঘট;নাটি এখনো র’হ;স্য জনক হিসে;বে থেকে গেছে এবং এই ঘ;টনার মূ;লহো;তা যিনি অর্থাৎ ইফ;খার ফা;রদিন তিনি আ;ইনশৃ;ঙ্খলা বাহি;নীর কাছে সবকি;ছু স্বী;কার করে;ছেন এবং তা;র বা;সার দা;রোয়ান এর ক;থার সা;থে অনে;কখানি মিলে;ছে তার কথা।

এই ত’দ;ন্তের ক্ষেত্রে অনে;ক;টাই কার্য;কা;রী ভূ;মিকা রেখেছে এই সিসি;টিভি;র ফুটে;জস;ম্প্রতি চাঞ্চ;ল্য;কর ঘটনা রা;জধা;নীর কলা;বাগা;নের একটি বা;সায় ডেকে নিয়ে ইংলিশ মিডি;য়ামের শিক্ষা;র্থী আনু;শকা নূর আমি এর ঘট;নার মা’ম;লা। র’হস্য উদঘা;টনে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট একা;ধিক প্রতি;ষ্ঠান।

এমন;টিই দাবি করে;ছেন আনু;শকা;র মা শা;হানুরী আমিন। এ বিষয়ে জা;নতে চাইলে শা;হানুরী আমিন দেশের শী;র্ষস্থা;নীয় একটি গণ;মাধ্যম;কে বলেন, এ;লো একদম মিথ্যা কথা। এ কথার একভা;গেরও স;ত্যতা নেই। ফা;রদিনে;র সঙ্গে কোনো স’;ম্পর্ক;ই ছিল না ;মা’র মে’য়ের। অ’ভিযু’ক্ত ফা;র;দিনের ;সাজা হলে আ;মি সন্তুষ্ট হবো।

তিনি বলেন, ফা;রদি;নের পরি;বা;র সদস্যরা এখন পর্যন্ত আমা;দের সঙ্গে কোনো যোগা;যোগ করে;নি। ঘটনার দিন ফার;দিন আমাকে ফোন দেয়ার পরে একা;ধিক;বার তার ফোন বন্ধ ক;রেছে আবার খুলেছে। আমি কখনো ফোন করে ফা;রদি;নকে পেয়েছি আবার কখনো পাইনি।

তিনি বলেন, আ;মা’র ধার;ণা ফোনে যো;গাযোগ করে আ;নুশকাকে খাবা;রের সঙ্গে কিছু মিশি;য়ে অ’চে/তন ক;রে বাইরে থেকে বা;সায় নিয়ে যাও;য়া হ;য়েছে। কারণ, আনু;শকা আ;মা’র অনু;মতি ছাড়া কখনো কা;রো বা;সায় কো;নোদি;ন যায়নি। আনু;শকার ;সাথে এই ঘ;টনা শে;ষে ফা;রদি;নের কিছু একটা করা দর;কার এমন তা;গিদে হাস;পাতা’লে নিয়ে যায়।

তখন পালা;লেও ধ’;রা প;ড়তো। ফার;দি;ন নিজে ভালো এবং নি’র্দোষ সাজা;র জন্য আনুশ;কাকে হাসপা;তা’লে নেয়। আমা;কে ফোন দেয়া- স;বই ছিল তার কৌশল। এমনকি আ;মা’র মে’য়ের ফোন থেকেই আ;মাকে ফোন দেয় ফার;দিন। আমা’র মে’য়ে হ;য়তো বাঁ’চা;র জন্য চে;ষ্টা করেছে।ওর বা;বাকে ঘট;নার দি;ন দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ফোন দিলে তিনি ফো;ন রিসিভ ক;রতে পা;রেন;নি।

ব্যস্ত ছি;লেন। মনে হয়, তখন আ;নুশকা কো;নো;ভাবে বাঁ’চা;র জ;ন্য কৌ;শলে ফোন দে;য়ার চেষ্টা করে;ছে। সে সুযোগ পে;লে হয়;তো আমাকেও ফোন দিতো। হঠাৎ করে এক;বার এ;কটি ফোন এসে;ছিল। শা;হা;নুরী বলেন, আনু;শ;কার পিঠে এবং পে;ছনে অ;সংখ্য কা;লসি;টে দাগ দেখা গেছে। “র”’/”ক্ত” জমে গে;ছে। আনুশকা;কে যে;ভাবে বি’কৃ;ত করে না ফেরার দেশে পা;ঠানো হ;য়েছিল সেটা বো;ঝা গেছে। ওখা;নে এটা শুধু এক;জ;নের কাজ ছিল না। ঘট;না;স্থলে তারা চার;জ;নই ছিল।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close