মহৌষধ হলুদ, এক চিমটিতেই বাজিমাত

মহৌষধ হলুদ, এক চিমটিতেই বাজিমাত

বড় ভোজ কিংবা অথবা কষিয়ে রান্না অথবা কনো অসুখ সব কিছুতেই যেন হলুদের থাকা চাই চাই। হোক তা কাঁচা হলুদ কিংবা গুঁড়া হলু। এদিকে যারা রূপ সচেতন তারা আবার সুযোগ পেলে গোসলের আগে কাঁচা হলুদবাটা গায়ে মেখে নিতে খুব পটু। এ সব কথা এখন অবস্য অনেকেরই জানা। তবে এটাও সত্যি যে হলুদের গুণাগুণ সীমাবদ্ধ নেই।

বিয়ের দের দিন কিংবা বিয়ের দিন সকালে হলুদ মাখানোর রীতি রয়েছে সেই বহু আগ থেকেই। সকালে উঠে অল্প মধু দিয়ে ছোট্ট এক কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খেলে শরীর ভাল থাকবে এমন কথা আয়ুর্বেদ চিকিৎসকরা প্রায় বলে থাকেন। আবার অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে হলুদ।

ত্বকের যে কোনও কালো দাগ বা ছোপ দূর করতে হলুদের জুড়ি আছে বেশ। তবে কাঁচা হলুদ ত্বকে সরাসরি না লাগানোই ভাল। এর চেয়ে বরং হলুদের সাথে দই, দুধের সর, মূলতানি মাটি বা ময়দা মিশিয়ে ব্যবহার করা ভালো।

অ্যান্টি-এজিং ফ্যাক্টর হিসেবেও হলুদ ভালো কাজ করে। শীতে অনেকেই গোড়ালি ফাটার সমস্যায় ভোগেন। নারকেল তেলের সঙ্গে হলুদগুঁড়ো মিশিয়ে গোড়ালিতে লাগালে ফাটার সমস্যা কমে ও চামড়া নরম হয়।

পরিমিত হলুদ খাওয়ার উপকারিতা যেমন আছে তেমনি অতিরিক্ত হলুদ খাওয়ার কিছু অপকারিতাও আছে।অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট ও অ্যান্টিপ্লাটিলেট ওষুধ খেলে হলুদ এড়িয়ে চলা ভাল। এমনকি যারা যারা কেমোথেরাপি নিচ্ছেন তাদের হলুদ বেশি না খাওয়াই ভাল। অতিরিক্ত হলুদ অনেক সময় অক্সালেটরের বিপাক পরিবর্তিত করে দেয়। তখন ওই অক্সালেট কিডনিতে পাথর তৈরি করে।

তবে হ্যাঁ, হলুদ কেনার ব্যপারে সাবধানতা অবলম্ব করা উচিত। কারণ বাজারে কাঠ ও ইটের গুঁড়া, ভুসি, ক্ষতিকর রঙ কিংবা স্প্রে করে প্রতিনিয়ত মসলার ক্রেতাদের ঠকানো হচ্ছে। এতে প্রতিনিয়ত ঠকছি আমারা। তাই হলুদ কেনার ব্যাপারেও ভালো করে দেখে শুনে জেনে কিনুন।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close