এখন লকডাউনের দিকে যাচ্ছে স’রকার

এখন লকডাউনের দিকে যাচ্ছে স’রকার

বাংলাদেশের করোনা প’রিস্থিতি ক্র’ম’শ ভ’’য়’ঙ্ক’র হয়ে উ’ঠছে। আজ সাত মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজারের বেশি আ’ক্রান্ত হয়েছে। স্বা’স্থ্য অধিদপ্তার শ’ঙ্কা করছে যে, করোনা এখন লা’ফি’য়ে লা’ফি’য়ে বাড়তে পারে এবং সামনের দিনগুলোতে প’রিস্থিতি আরো খা’রা’প হতে পারে। এরকমই একটি ধারণা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য স’চিব আজ করোনা সংক্র’মণ বৃ’দ্ধির প্রেক্ষিতে ১৮ দ’ফা নির্দে’শনা জা’রি করেছে যেখানে তিনি সমাবেশ, গণজমায়েত সীমিতকরণ সহ বিভিন্ন নির্দে’শনা জা’রি ক’রেছেন।

তবে স্বা’স্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, সীমিত করণের যে নির্দে’শনা তা শেষ পর্যন্ত প্রতিফলিত হবে না। কারণ বাংলাদেশের মানুষ নানা বাস্তবতার কারণে করোনার চেয়ে জীবন এবং জীবিকাকে অ’ত্যন্ত গু’রুত্ব পূর্ণ মনে করছে। আর এ কারণেই এ সমস্ত বিধিনি’ষেধকে শেষ পর্যন্ত মানা সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সং’শ’য় রয়েছে।

স্বা’স্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. ইকবাল আর্সলান বাংলা ইনসাইডারকে বলেছেন, যে দেশের মানুষ মাস্ক ব্যবহারই করে না সে দেশের মানুষ হোটেল-রেস্টুরেন্টে অর্ধেক শতাংশ জমায়েত হবে কিংবা গণজমায়েত করবে না, বাজার-হাটে যাবে না এটি মানা ক’ষ্ট’ক’র। কারণ তিনি বলেন, অ’তীতে অ’ভি’জ্ঞতা বলছে যে মানুষ এ সমস্ত মানে না। বরং কঠোরভাবে এটির প্রয়োগ ক’রতে হবে। আর যদি এটি না প্রয়োগ করা হয় তাহলে প’রিস্থিতি আরো খা’রাপ হতে পারে।

স্বা’স্থ্য অধিদপ্তরের একজন ক’র্মক’র্তা বলেছেন, যেভাবে করোনা সং’ক্রমণ বাড়ছে তাতে করে বাংলাদেশে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে প্রতিদিন ১০ হাজার সং’ক্র’মণ চলে যেতে পারে। আর এটি যদি হয়, তাহলে স’রকারকে বিক’ল্প ভাবতে হবে।আজকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য স’চিব ড. আহম’দ কায়কাউস সামগ্রিক প’রিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলের স’ঙ্গে কথা বলেছেন। বিশেষ করে স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন ক’র্মকতাদের সাথে তিনি যোগাযোগ ক’রেছেন। সূত্রগুলো বলছে,

স’রকার প্রথমে ১৮ দ’ফা নির্দে’শনা জা’রি করে দে’খতে চায় যে এতে করে প’রিস্থিতির উন্নতি হয় কিনা। যদি প’রিস্থিতির উন্নতি হয় তাহলে হয়ত স’রকার আর লকডাউনে যাবে না। কিন্তু এই ১৮ দ’ফা বাস্তবায়নের পরও যতি প’রিস্থিতির উন্নতি না হয় তাহলে স’রকারকে শেষ পর্যন্ত আবার লকডাউন বা সাধারণ ছুটিতে যেতে হবে।স্বা’স্থ্য অধিদপ্তরের একজন উর্ধ্বতন ক’র্মক’র্তা বলেছেন, সামনের দিনগুলো খুবই স্প’র্শকাতর। বিশেষ করে রমজান মাস শুরু হলে তারাবির নামাজে’র ভীড় হবে। মানুষ বাজার-হাটে বেশি করে যাবে।

কারণ দেখা গেছে যে, প্রতিবছর রমজান মাসে মানুষের বাজার-হাট করার প্র’বণতা বাড়ে। ঈদের কেনাকা’টা আরো একটি অনু’স’ঙ্গ যু’ক্ত হবে। ফলে করোনার প্রকোপ বাড়বে। তবে স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয়ের ওই ক’র্মকতা বলেছেন, শুধু যদি আম’রা স্বা’স্থ্যবিধি মেনে চলি তাহলে কিছুই করার দরকার ছিলো না।

কিন্তু মাস্ক ব্যবহার করা, সামাজিক দুরুত্ব রাখা এবং বার বার সাবান দিয়ে হাত ধো’য়ার মতো মৌলিক স্বা’স্থ্যবিধিগুলো মানতেই আমাদের অনিহা। যার ফলে করোনা লা’ফিয়ে লা’ফিয়ে বাড়ছে। শেষ পর্যন্ত আম’রা যদি স্বা’স্থ্যবিধি না মানি এবং কারোনা যদি এভাবে সংক্র’মণ যদি এভাবে লা’ফিয়ে লা’ফিয়ে বাড়ে তাহলে স’রকারের সামনে হয়ত আর কোনো বিকল্প থাককে না লকডাউন দেয়া ছাড়া।

তবে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একজন উর্ধ্বতন ক’র্মক’র্তা বলেছেন, আম’রা এখনই লকডাউন দিতে চাইছি না। কিন্তু লকডাউনকে আম’রা এখন বা’তিলও ক’রতে পারছি না।আ’সলে বাংলাদেশের জন্য আগামী সাত দিন খুবই গু’রুত্ব পূর্ণ। এই সাত দিনের যদি করোনা প’রিস্থিতির যদি উন্নতি না হয় তাহলে হয়ত স’রকারকে এমন পদক্ষে’প গ্রহণ ক’রতে হবে যেটি কারোর জন্যই কাম্য নয়

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close