এমন পরিস্থিতি আগে দেখিনি বলেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন চিকিৎসক

এমন পরিস্থিতি আগে দেখিনি বলেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন চিকিৎসক

ভারতে করোনা মহা’মারি ভ’য়াবহ আকার ধারণ করেছে। আবার পুরো ভার’তের মধ্যে মুম্বাই তথা মহা’রাষ্ট্রের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। হাসপাতালে কোনো শয্যা, এমনকি জায়গাও খালি নেই। রো’গীদের দেওয়ার মতো নেই পর্যাপ্ত অক্সিজেনও। প্রতিদিনই হাসপা’তালগুলোতে উপচে পড়ছে কো’ভিড রোগীদের সংখ্যা।এই পরিস্থিতি সবচেয়ে সামনে থেকে মোকা’বিলা করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। রোগীদের সেবার কাজে তাদের হতে হয় কঠোর ও দৃঢ় মনোবল সম্পন্ন মানুষ। কিন্তু করোনা মহা’মারির ভয়া’বহ’তা যেন চিকিৎসক’দেরও দুর্বল করে দিচ্ছে, অস’হায়ত্ব অনুভব করছেন প্রতিটি পদে পদে।

তেম’নই মহ’রাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বাইয়ের করোনা পরিস্থিতির ভয়া’বহতা দেখে কা’ন্নায় ভে’ঙে পড়ে’ছেন ত্রুপ্তি গিলাদা নামে এক নারী চিকিৎসক। হাসপাতালে শ’য্যা নেই, রোগীদের দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অক্সি’জেনের সংকট, প্রতি’দিনই রোগীদের উপচে পড়া ভিড়ের কথা বলতে গিয়ে কা’ন্নায় ভে’ঙে পড়েন তিনি।আন্তর্জাতিক এমন পরিস্থিতি আগে দেখিনি বলেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন চিকিৎসক ভারতে করোনা মহা’মারি ভ’য়াবহ আকার ধারণ করেছে। আবার পুরো ভার’তের মধ্যে মুম্বাই তথা মহা’রাষ্ট্রের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। হাসপাতালে কোনো শয্যা, এমনকি জায়গাও খালি নেই।

রো’গীদের দেওয়ার মতো নেই পর্যাপ্ত অক্সিজেনও। প্রতিদিনই হাসপা’তালগুলোতে উপচে পড়ছে কো’ভিড রোগীদের সংখ্যা। এই পরিস্থিতি সবচেয়ে সামনে থেকে মোকা’বিলা করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। রোগীদের সেবার কাজে তাদের হতে হয় কঠোর ও দৃঢ় মনোবল সম্পন্ন মানুষ। কিন্তু করোনা মহা’মারির ভয়া’বহ’তা যেন চিকিৎসক’দেরও দুর্বল করে দিচ্ছে, অস’হায়ত্ব অনুভব করছেন প্রতিটি পদে পদে।

তেম’নই মহ’রাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বাইয়ের করোনা পরিস্থিতির ভয়া’বহতা দেখে কা’ন্নায় ভে’ঙে পড়ে’ছেন ত্রুপ্তি গিলাদা নামে এক নারী চিকিৎসক। হাসপাতালে শ’য্যা নেই, রোগীদের দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অক্সি’জেনের সংকট, প্রতি’দিনই রোগীদের উপচে পড়া ভিড়ের কথা বলতে গিয়ে কা’ন্নায় ভে’ঙে পড়েন তিনি।

বিভিন্ন সো’শ্যাল মিডিয়ায় ওই নারী চিকিৎসকের কান্নার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। প্রায় ৫ মিনিটের ওই ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি আগে এ রকম পরিস্থিতি কখনও দেখিনি। আমরা খুব অসহায় হয়ে পড়ছি। বহু চিকিৎসকের মতোই আমিও আত’ঙ্কিত। জানি না কী করব।’তিনি আরও বলেন, ‘(মানুষের কষ্ট দেখে) আমার হৃদয় ভে’ঙে গেছে। আমার চি’ন্তার বিষয়’গুলোই আপ’নাদের সঙ্গে শেয়ার করছি। আমি যদি আপনাদের কিছু বোঝাতে পারি, তবেই আ’মি শা’ন্তি পাবো।’আন্তর্জাতিক এমন পরিস্থিতি আগে দেখিনি বলেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন চিকিৎসক

ভারতে করোনা মহা’মারি ভ’য়াবহ আকার ধারণ করেছে। আবার পুরো ভার’তের মধ্যে মুম্বাই তথা মহা’রাষ্ট্রের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। হাসপাতালে কোনো শয্যা, এমনকি জায়গাও খালি নেই। রো’গীদের দেওয়ার মতো নেই পর্যাপ্ত অক্সিজেনও। প্রতিদিনই হাসপা’তালগুলোতে উপচে পড়ছে কো’ভিড রোগীদের সংখ্যা।এই পরিস্থিতি সবচেয়ে সামনে থেকে মোকা’বিলা করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। রোগীদের সেবার কাজে তাদের হতে হয় কঠোর ও দৃঢ় মনোবল সম্পন্ন মানুষ। কিন্তু করোনা মহা’মারির ভয়া’বহ’তা যেন চিকিৎসক’দেরও দুর্বল করে দিচ্ছে, অস’হায়ত্ব অনুভব করছেন প্রতিটি পদে পদে।

তেম’নই মহ’রাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বাইয়ের করোনা পরিস্থিতির ভয়া’বহতা দেখে কা’ন্নায় ভে’ঙে পড়ে’ছেন ত্রুপ্তি গিলাদা নামে এক নারী চিকিৎসক। হাসপাতালে শ’য্যা নেই, রোগীদের দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অক্সি’জেনের সংকট, প্রতি’দিনই রোগীদের উপচে পড়া ভিড়ের কথা বলতে গিয়ে কা’ন্নায় ভে’ঙে পড়েন তিনি।বিভিন্ন সো’শ্যাল মিডিয়ায় ওই নারী চিকিৎসকের কান্নার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। প্রায় ৫ মিনিটের ওই ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি আগে এ রকম পরিস্থিতি কখনও দেখিনি। আমরা খুব অসহায় হয়ে পড়ছি। বহু চিকিৎসকের মতোই আমিও আত’ঙ্কিত। জানি না কী করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘(মানুষের কষ্ট দেখে) আমার হৃদয় ভে’ঙে গেছে। আমার চি’ন্তার বিষয়’গুলোই আপ’নাদের সঙ্গে শেয়ার করছি। আমি যদি আপনাদের কিছু বোঝাতে পারি, তবেই আ’মি শা’ন্তি পাবো।’ ডা. ত্রু’প্তি গিলাদা বলেন, ‘অনেক বেশি পরিমাণ রো’গীকে আমাদের সেবা দিতে হচ্ছে। যাদের অবস্থা বেশি আশ’ঙ্কা’জনক তারা বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। কারণ হাসপাতালে কোনো বেড খালি নেই। এটা আমাদের জন্য খুবই যন্ত্র’ণাদা’য়ক।’

এসময় তিনি কা’ন্নায় ভে’ঙে পড়েন। কান্না ঠেকানোর চেষ্টা করার পরও তিনি ফুঁ’পিয়ে ফুঁ’পিয়ে কাঁদছিলেন। তবে এই পরিস্থিতিতেও নিজের কর্তব্য ভোলেননি ত্রুপ্তি গি’লাদা। নিজেকে সুর’ক্ষিত রাখতে এসময় তিনি বারবার মানুষের প্রতি অনু’রোধ জানান।বাইরে বের হলে মা’স্ক ব্যবহার করার অনুরোধের পাশা’পাশি অ’সুস্থ বো’ধ করলে আত’ঙ্কিত না হওয়ার পরা’মর্শও দিয়ে’ছেন ত্রু’প্তি। তার মতে, নারী, পুরু’ষ ও শিশু অর্থাৎ প্রতিটি মানুষকে ভাই’রাসের বিরুদ্ধে যু’দ্ধ করতে হবে।

ডা. ত্রু’প্তি বলেন, ‘সবাই নিরা’পদে থাকুন। আপনি যদি এখনও পর্যন্ত করো’নায় আ’ক্রান্ত না হয়ে থাকেন… বা আ’ক্রান্ত হয়েও কেউ যদি সুস্থ হয়ে থাকেন… তাহলে নিজে’দেরকে সুপার হিরো ভাববেন না, বা মনে করবেন না আপ’নারা আর আ’ক্রান্ত হবেন না। এটা ভেবে থাকলে ভুল হবে। অনেক অনেক অল্পব’য়সী মানুষ’কে আমরা আ’ক্রান্ত হতে দেখছি। এবং আমরা তাদের জন্য কিছুই করতে পারছি না।’ভাইরা’সের এই ব্যাপক সংক্র’মণে ভারতে সক্রি’য় করো’না রোগীর সংখ্যা সাড়ে ২১ লাখ ছাড়া’লেও এর মধ্যে ৬২ দশমিক ০৭ শতাংশ রোগীই ৫টি রাজ্যের। সেগুলো হচ্ছে- মহা’রাষ্ট্র, উত্তর’প্রদেশ, কর্নাটক, ছ’ত্তিশগড় ও কেরালা।

ভার’তের মধ্যে এই মুহূ’র্তে সবচেয়ে ভয়াবহ পরি’স্থিতি মহারা’ষ্ট্রে। প্রতিদিন প্রায় ৬০ হাজার মানুষ সেখানে করোনায় আ’ক্রান্ত হচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যটিতে মা’রা গেছে ৫১৯ জন।এদিকে সংক্র’মণ প্রতিরোধে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে লকডাউনও জারি করা হয়েছে। রাজধানী দিল্লিতে সোমবার থেকে চলছে লকডাউন। মহারাষ্ট্রেও ‘করোনা কারফিউ’ চলছে। উত্ত’রপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে সপ্তাহান্তে চলছে লকডাউন। রাত্রি’কালীন কা’রফিউ জারি হয়েছে দেশের বিভিন্ন শহরে।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
error: Content is protected !!
Close
Close