দুধ গরম না-কি ঠাণ্ডা, উপকারিতা জে’নে পান করুন

দুধ গরম না-কি ঠাণ্ডা, উপকারিতা জে’নে পান করুন

দুধ একটি আদর্শ খাবার। তাইতো দুধ না খেলে হবে না ভালো ছেলে! এই মিথে বিশ্বা’সী আম’রা অনেকেই। তবে দুধ ঠাণ্ডা না গরম, কোন অব’স্থায় খাওয়া উচিত, জা’নেন কি?

ঠাণ্ডা ও গরম দুধ খাওয়া নিয়ে বেশ বিত’র্ক রয়েছে। অনেকে মনে করেন, গরম দুধ খেলে উপকার বেশি। আবার অনেকের ধারণা ঠাণ্ডা দুধের পুষ্টিগুণ বেশি। আ’সলে কোনটি সঠিক, জে’নে নিন-

এক গ্লাস দুধে আছে প্রচুর প্রোটিন, ভিটামিন ১২, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস, যা হাড়-দাঁত মজবুত করে। শক্ত করে পেশি। শ’রীরে পুষ্টি জুগিয়ে সু’স্থ রাখে ওষুধ ছাড়াই।

এখন প্রশ্ন হলো, কোন দুধ খেলে বেশি উপকার- ঠাণ্ডা না গরম। ঠাণ্ডা দুধ স্থূলতা কমায়। আর ভালো ঘুম বা হজ’মশ’ক্তি বাড়াতে গরম দুধের প্রয়োজন। কোনটা আপনার জন্য উপকারী, সেটি নিজেই বুঝে নিন। ঠাণ্ডা ও গরম দুধের উপকারিতা-

দুধ থেকে তৈরি খাবার যাদের হজ’ম হয় না, তাদের খেতে হবে গরম দুধ। ঠাণ্ডা দুধ তুলনায় ভারী। হজ’ম করা কষ্ট। আর গরম দুধে ল্যাক্টোজে’র পরিমাণ কম থাকে। তাই এই দুধ সহজে হজ’ম হয়।

এক ঘুমেই রাত কাটাতে চাইলে ঠাণ্ডা নয়, বেছে নিন গরম দুধ।ঠাণ্ডা দুধ স্থূলতা কমায়। যারা গ্যাস্ট্রিক বা স্থূলতার স’মস্যায় ভো’গেন, তাদের জন্য ঠাণ্ডা দুধ ভীষণ উপকারী। এতে বুক ও পে’ট জ্বা’লাও কমে। তাই খাবার পর রোজ আধ গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ খান। ওষুধ ছাড়াই স’মস্যা কমবে।

ঠাণ্ডা লা’গার ধাত না থাকলে সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পে’টে ঠাণ্ডা দুধ খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে শ’রীরে পানির ঘাটতি মিটবে। তবে রাতে ভুলেও খাবেন না। এতে পে’টের স’মস্যা দেখা দিতে পারে।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close