মেধার জোরে নিরাপত্তা প্রহরীর মেয়ে সাবিহার মেডিকেলে চান্স

মেধার জোরে নিরাপত্তা প্রহরীর মেয়ে সাবিহার মেডিকেলে চান্স

সাবিহা আক্তার। ছোট বেলায় খুব অসুস্থ্য থাকতেন। মায়ের সাথে নিয়মিত হসপিটালে যেতে হতো। ডাক্তারের কানে লাগানো টেথেস্কোপ দেখেই নিজের মধ্যে স্বপ্নের জাল বুনেন ডাক্তার হওয়ার। অবশেষে স্বপ্ন সত্যি হলো সাবিহার।

ছোট্ট একটা বাসায় বাবা মায়ের সাথে চার ভাইবোনের সংসার। বাবা বাউবি দিনাজপুর আঞ্চলিক কেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রহরী। অভাবের সংসারে নিজেকে একদিন বড় করে তুলবেন ভাবেন সাবিহা। অদম্য মেধাবী সাহিবা নিজেকে অন্যদের চেয়ে আলাদা ভাবে চিনিয়েছেন। জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি সব খানেই মেধার স্বাক্ষর রেখেছে সে।

এবার এমবিবিএস ভর্তি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।দিনাজপুর আঞ্চলিক কেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রহরী সুজা মিয়ার একমাত্র মেয়ে সাবিহা। বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মানকৌর গ্রামের বাসিন্দা। ১৫ বছর ধরে দিনাজপুরের সুইহারি এলাকায় ছোট্ট একটা বাসা নিয়ে বসবাস করেন।

চার ছেলে মেয়ের সংসারে অভাব লেগেই থাকতো।হবু শিক্ষকদের সতর্ক থাকতে বললো এনটিআরসিএ মেধার জোরে নিরাপত্তা প্রহরীর মেয়ে সাবিহার মেডিকেলে চান্স এক কলেজ থেকেই ৪০ জনের মেডিকেলে চান্স! অনলাইনে পাবলিক পরিক্ষার চিন্তাঃ ১১ সদস্যের কমিটি গঠন কওমী মাদ্রাসা বন্ধ করতে কঠোর আদেশ জারি অন্য ছেলে মেয়েরা যখন প্রাইভেট টিচারের কাছে পড়তে যেতো সাবিহা তখন নিজে নিজে টেবিলে বসে পড়তো।সাবিহা পিসিএ,জেএসসি এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ ৫ পান।

দিনাজপুর সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ অর্জন করেন। শিক্ষা জীবনে সাবিহা সবসময় প্রথম থাকতো। অভাবের সংসারে কিভাবে এতদুর এলেন এপ্রশ্নের জবাবে সাবিহা বলেন, বাবা মায়ের অনুপ্রেরণায় এতদুর এসেছি। সব সময় ভেবেছি যা কিছু আছে সেখান থেকেই ভালো কিছু করতে হবে।

সাবিহার বাবা বলেন, আমার মেয়ে মেডিকেলে চান্স পেয়েছে। তাকে বলেছি সে যেন জনগনের সেবা করতে পারে। জনগনের ডাক্তার হতে পারে। দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. আবদুস সালাম জানান। সাবিহা সহ তার গ্রুপের সবাই খুবই মেধাবী ছিল। তারা অনেকেই বিভিন্ন মেডিকেলে চান্স পেয়েছে। তাদের ভালো ফলাফলে খুব ভালো লাগছে।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close