সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের ৫০টি সাংসারিক টিপস, যা সব সময় কাজে আসে!

সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের ৫০টি সাংসারিক টিপস, যা সব সময় কাজে আসে!

ঘরের মধ্যে মশার উৎ’পাত কমাতে চাইলে, ঘরের বৈদ্যুতিক আলোটি হলুদ সেলোফেনে জড়িয়ে দিন। ফলে হলুদ আলো হবে। দেখবেন মশা কমে গেছে, কারণ মশা হলুদ আলো থেকে দূ’রে থাকতে চায়।অত্যাবশ্যকীয় কিছু ঘরোয়া টিপস আছে যা জে’নে রাখলে পরে কাজে লাগবে। নিজেও উপকার পাবেন, অন্যকেও শিখিয়ে দিতে পারে। তাহলে জে’নে নিই টিপসগুলো-

১। অনেকদিন ব’ন্ধ থাকা বা অব্যবহৃত ঘর খুললে একটা ভ্যাপসা গন্ধ বের হয়। দু-তিনটে দেশলাই কাঠি জ্বা’লালে দু-তিন মিনিটের মধ্যে ঘর থেকে গন্ধ চলে যাবে।২। চিনির পাত্রের মধ্যে দু-চারটি লবঙ্গ দিয়ে রাখলে পিঁপ’ড়ে ঢুকবে না।

৩। চশমা ঝকঝকে প’রিষ্কার রাখতে হলে এক ফোঁটা ভিনিগার দিয়ে কাঁচ পালিশ করুন।৪। ফ্রিজে’র গায়ে দাগ ধ’রে গেলে স্পঞ্জে টুথপেস্ট লা’গিয়ে ঘষুণ। দাগ উঠে যাবে।৫। জা’নালা, দরজার কাঁচ ঝকঝকে করে তুলতে মিহি চক গুঁড়োর স’ঙ্গে পানি আর স্পিরিট অথবা কেরোসিন মিশিয়ে কিছুক্ষণ কাঁচের ওপর মাখিয়ে রাখু’ন।

শুকিয়ে গেলে খবরের কাগজ দিয়ে মুছে নিন।৬। ডিটারজেন্টের স’ঙ্গে একটা লেবুর রস ও এক চামচ ফিনাইল মিশিয়ে বাথরুমের টাইলস ঘষে দেখু’ন, কেমন ঝকঝক করে।৭। হাতব্যাগের ধাতব অংশগু’লিতে ন্যাচারাল কালারের নেলপালিশের এক প্রস্থ প্রলেপ দিয়ে রাখু’ন। সহজে বিবর্ণ হবে না।৮। ঘরে চড়ুই পাখি বাসা বাঁধতে চায়। যদি চড়ুই পাখি তাড়াতে চান তাহলে ঘরের দরজা জা’নালা ব’ন্ধ করে দু-চার টুকরো কর্পূর জ্বা’লিয়ে দিন। আর ঘরমুখো হবে না।

৯। গ্যাসস্টোভের বার্নারে ময়লা ঢুকে গেলে বাড়িতে প’রিষ্কার করার সহজ উপায় হল অ্যালুমিনিয়াম স্টিল বা লোহার বালতিতে ফুটন্ত পানি ঢেলে তাতে দু টেবিল চামচ ড্রেনেক্স (Drainex) পাউডার গুলে বার্নার দুটি তার মধ্যে দু ঘণ্টা ডুবিয়ে রাখু’ন। পানিতে ঝাঁপিয়ে ঝাঁপিয়ে ধুয়ে নিন।

১০। বাচ্চাদের জামাকাপড় বা কাঁথায় যদি তার বমির দুর্গন্ধ থেকে যায়, তবে কাচার পর পানতে আধ চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে তাতে জামাকাপড় ডুবিয়ে নেবেন। দুর্গন্ধ দূ’র হবে।১১। ইস্ত্রি করার সময় কাপ’ড়ে যে পানি ছিটান তাতে কয়েক ফোঁটা পারফিউম ফে’লে দিন। ইস্ত্রি হওয়া গোটা কাপড়টি সুগন্ধ ধ’রে রাখবে।

১২। ফ্লাক্সের ভেতরে অংশ ভালোভাবে ধুতে হলে ফ্লাক্সে গরম পানি ভর্তি করুন। তাতে কয়েক টুকরো কাগজ ফে’লে দিন। ঘণ্টাখানেক পর ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিয়ে পানি ফে’লে দিন। ভেতরের যাবতীয় নোংরা প’রিষ্কার হয়ে যাবে।১৩। অনেক সময় ভ্যাকুয়াম ফ্লাক্স দীর্ঘ ব্যবহারের জন্য দুর্গন্ধ হয়। একটি ডিমের খোলা ভে’ঙে ফ্লাক্সের মধ্যে ফেলুন।

১৪। কিছু কিছু অলংকারের তীক্ষ্ণ বা ধা’রালো প্রান্তের খোঁচায় পোশাক ছিঁড়ে যায় বা সুতো উঠে যায়। সেইসব ধা’রালো অংশে ন্যাচারাল নেলপালিশ লা’গিয়ে দিন। খোঁচা লাগবে না।১৫। কাঠের ওপর বাচ্চারা আঁকিবুঁকি কাটলে তা তুলতে সিগারেটের ছাই খুব ভালো। সিগারেটের ছাই পাতলা কাপ’ড়ে নিয়ে ঘষে ঘষে তোলা যাবে। একই কাজ হবে কেরোসিন দিয়ে।

১৬। স্টিলের বাসন থেকে কোম্পানির নাম লেখা স্টিকারটি তোলা এক ঝামেলা। পাত্রের স্টিকার লা’গানো অংশের উল্টোপিঠটা তাতিয়ে নিন। স্টিকার এবার সহজে উঠে আসবে।১৭। নতুন কেনা জিনিসপত্রের ওপর থেকে দামের লেবেল তুলতে খোঁচাখুঁচি করবেন না। লেবেলের ওপর একটু সেলোটেপ চে’পে দিন। তারপর সেলোটেপের এক প্রান্ত ধ’রে টানলে লেবেলটি উঠে যাবে।

১৮। দেয়ালে পেরেক গাঁথার আগে পেরেকগুলো যদি ফুটন্ত গরম জলে ডুবিয়ে নেন তাহলে হাতুড়ি মা’রার সময় দেয়ালের প্লাস্টার খসবে না।১৯। বেশ কিছুদিনের জন্য কোথাও বেড়াতে যাচ্ছেন ফ্রিজ খালি করে? ডিফ্রস্ট করে তা রেখে গে’লেন। কিন্তু এসে দেখলেন দুর্গন্ধ হয়ে গেছে। দুর্গন্ধ দূ’র করবার জন্য যাওয়ার আগে ফ্রিজে পাতি লেবু রেখে দিন।দুর্গন্ধ হবে না।

২০। ফ্রিজে’র বদগন্ধ দূ’র ক’রতে সর্ষেগুঁড়ো ব্যবহার ক’রতে পারেন। একটা প্লেটে কিছুটা সর্ষেগুঁড়ো ঢেলে তাতে একটু পানি দিয়ে রাতভর ফ্রিজে রাখু’ন এবং ফ্রিজ খোলাই রাখু’ন। পরের দিন সকালে দেখবেন সব গন্ধ উধাও।২১। সেলোটেপের মুখ খুঁজে পাচ্ছেন না? মিনিট দশেক ফ্রিজে ঢুকিয়ে রেখে দিন। সেলোটেপের রিলটা খু’লে আসবে।

২২। খামের ওপর ঠিকানা লিখে একটু মোমবাতি ঘষে দেবেন। জল প’ড়ে কালি থেবড়ে ঠিকানা অস্পষ্ট হয়ে যাবে না।২৩। টেবিল বা ক্যাবিনেটের ড্রয়ার অনেক সময় আ’টকে যায়। স্বচ্ছন্দে খোলা বা ব’ন্ধ করা যায় না। ড্রয়ারের ধারে মোম ঘষে রাখু’ন। সহজে আ’টকাবে না।

২৪। এক লিটার পানিতে দু’চার চামচ ডিটারজেণ্ট গুলে ঝাঁকিয়ে দিন। এবার স্প্রেগান বা পিচকিরিতে ভরে ঘরের আনাচে কানাচে যেখান আরশোলার উপদ্রব বেশি সেসব জায়গায় স্প্রে করে দিন। আরশোলা মরবে।২৫। বোতলের ছিপি খুব শক্ত হয়ে আ’টকে গেলে, একটা রুমাল গরম পানিতে ভিজিয়ে নিংড়ে বোতলের ছিপির নিচে জড়িয়ে রাখু’ন। কিছুক্ষণ পরে ছিপিটি আলগা হয়ে আসবে।

২৬। রাতের দিকে বেসিনের পাইপের মুখে মাঝে মাঝে আধ কাপ মত ভিনিগার ঢেলে দেবেন। সকালে দু’মগ পানি ঢেলে দিলেই বেসিনের পাইপ প’রিষ্কার থাকবে।২৭। সিঙ্কের মুখ ব’ন্ধ হয়ে গেলে লবণ ফুটিয়ে সিঙ্কের মুখে ঢেলে দিন। প’রিষ্কার হয়ে যাবে।২৮। আস্ত ধনেতে পোকা ধ’রেছে বলে ফে’লে দেবেন না। ঘণ্টা খানেক ভিজিয়ে রেখে মাটিতে ছ’ড়িয়ে দিন। ধনে পাতার চাষ হবে আপনার বাগানে।

২৯। অ্যাকোরিয়ামের পানি ফে’লে দেবেন না। গাছের গোড়ায় দিন। সার হিসেবে চমৎকার।৩০। কাজুবাদাম ব্যবহারের সময় খোসাটা ফে’লে দেয়া হয়। ফে’লে দেয়া ওই খোসাই গোলাপ গাছের সেরা সার।৩১। মশা তাড়াবার একটা সহজ উপায় হল, কয়েক টুকরো কর্পূর আধকাপ পানিতে ভিজিয়ে খাটের নিচে রেখে দিন। তারপর নিশ্চিন্তে ঘুমান।৩২। কয়লা বা কাঠ-কয়লার আ’গুনে নিমপাতা পড়লে যে ধোঁয়া হবে তাতে মশা সপরিবারে পালাবে।৩৩। ঘরের মধ্যে মশার উৎ’পাত কমাতে চাইলে, ঘরের বৈদ্যুতিক আলোটি হলুদ সেলোফেনে জড়িয়ে দিন। ফলে হলুদ আলো হবে। দেখবেন মশা কমে গেছে, কারণ মশা হলুদ আলো থেকে দূ’রে থাকতে চায়।৩৪। অনেক সময় ঘরে বা রান্নাঘরে সাপ ঢুকে যায়। কিছুটা রসুন বেটে কাপ’ড়ে বেঁধে ঘরের কোণে রেখে দিলে ঘরের ভেতর সাপ ঢুকবে না।

৩৫। আটা, ময়দা, ডাল পোকার হাত থেকে বাঁচতে হলে একমুঠো নিমপাতা শুকিয়ে উপরে ছ’ড়িয়ে দিন, পোকা হবে না।৩৬। সোনার গয়না দীর্ঘদিন ধ’রে ব্যবহার করলে ঔজ্জ্বল্য হারিয়ে যায়। ব্যবহার করার পর সিঁদুর মাখিয়ে রাখবেন। চকচক করবে। কুমড়োর রস দিয়েও গয়না প’রিষ্কার করা যায়।৩৭। বিয়ে বাড়িতে বা পার্টিতে যেদিন যাবেন, সোনার গয়নাগুলো কাঁচা হলুদ থেঁতো করে বা হলুদ গুঁড়ো জলে গুলে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে ভালো করে মুছে নেবেন। উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৩৮। আপনার সোনা-রূপোর গয়না টুথপেস্ট দিয়ে ঘষে নিন। পানি দেয়ার দরকার নেই। শুকনো কাপ’ড়ে পেস্ট মুছে ফেলুন। দেখু’ন ঝকমকিয়ে উঠবে আপনার গয়না।৩৯। পাথরের গয়না টুথপেস্ট ঘষে প’রিষ্কার করুন। নতুনের মত ঝলমল করবে।৪০। রান্না পুড়ে পাত্রের তলায় এঁটে গেছে। পাত্রটিকে লবণপানি ভর্তি করুন। তারপর আঁচে বসান। পানি ফুটতে শুরু করলেই পোড়া অংশ আলগা হয়ে উঠে যাবে।

৪১। রান্নার সময় হাতে হলুদের দাগ হলে, আলুর খোসা ছাড়িয়ে হাতে ঘষে, হাত ধুয়ে নিলে আর হলুদের দাগ থাকবে না।৪২। টিন থেকে মরচে তুলতে হলে আলু কে’টে বাসন ধোয়ার গুঁড়োয় ডুবিয়ে সেটা দিয়ে ঘষলেই মরচে উঠে যাবে।৪৩। কফির যদি স্বাদ আরো বাড়াতে চান তাহলে সামান্য টেবিল-সল্ট মিশিয়ে নিন।৪৪। ঘিয়ের গন্ধ বজায় রাখতে হলে ঘি রাখার শিশিতে এক টুকরো আখের গুড় রেখে দিন।৪৫। ভোজ্য তেলে ৮/১০ টা আস্ত গোলমরিচ ফে’লে দিন। তেল দীর্ঘদিন অব্যবহৃত হলেও ভালো থাকবে।৪৬। দই পাতবার সময় দুধের স’ঙ্গে এক চামচ কর্নফ্লাওয়ার গুলে দেবেন। দই অনেক বেশি ঘন হবে।

৪৭। দুধ পুড়ে গেলে বা দুধ থেকে পোড়া গন্ধ দূ’র ক’রতে হলে তাতে পান পাতা ফে’লে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। পোড়া গন্ধ কে’টে যাবে।৪৮। পিঠে, পাটিসাপ্টা, মালপো প্রভৃতি তৈরি করার সময় গোলায় একটু আটা মিশিয়ে দিলে পিঠে ঠিকভাবে তৈরি হয়।৪৯। বিস্কুটের টিনে এক টুকরো ব্লটিং পেপার রেখে দিন। বিস্কুট মিইয়ে যাবে না।৫০। বাড়িতে আঠা ফুরিয়ে গেছে। খামে স্ট্যাম্প লা’গাবেন। ন্যাচারাল কালার নেলপালিশ ব্যবহার করুন।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
error: Content is protected !!
Close
Close