অটো চালকের মেয়ে মিস ইন্ডিয়া, গর্বিত প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরী মানুষী বিস্তারিত ভিতরে!

অটো চালকের মেয়ে মিস ইন্ডিয়া, গর্বিত প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরী মানুষী বিস্তারিত ভিতরে!

VLCC ফে’মিনা মিস ইন্ডিয়ার ম’ঞ্চে প্রথম তিনে জায়গা করে নিয়েছেন উত্তর প্র’দেশের কন্যা মান্য সিং। প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরী মানুষী চি’ল্লারও আজ তাঁর জন্য গ’র্ব অনু’ভব করেন।মিস ইন্ডিয়ার আসরে সেকেন্ড রা’নার্স আপ হয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের মান্যা সিং। অন্যা’ন্যদের থেকে তার জীবন যু’দ্ধ বেশ কিছুটা আলাদা ধরনের। বরং অনেক বেশি কঠিন।

উত্তর প্রদেশের কন্যা মান্য সিং এর বাবা পেশায় একজন অ’টোচালক। শৈ’শ’ব থেকে আ’র্থিক অন’টনের মধ্যে দিয়ে ব’ড়ো হয়েছেন মা’ন্যা।রানা’র্স-আপ হতেই মান্যা সিংকে মানুষী চি’ল্লার সহ বেশ কয়েকজন তা’রকা আনন্দে অভি’ভূত। মান্যা সিংয়ের জয়ের পর ছবিতে ক’মে’ন্ট করে মানুষী চিল্লার লিখেছেন, “ভে-ঙে পড়ুক কাঁ’চের দেওয়াল”।

অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান ছবিতে লা’ই’ক দিয়েছেন। মান্যা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ছোট থেকেই অভাবের সংসারে মানুষ হয়েছেন তিনি। বাবা পেশায় অ’টোচালক। রোজগার খুব বেশি ছিল না। দু’বেলা দু’মুঠো খাবার জুটত না।

খিদের জ্বা’লা’য় রাতে ঘুম হত না ঠিকভাবে। অ’ভাবের কারণে খুব বেশিদিন স্কুলে পড়া’শোনা করার সুযোগ হয়নি তার। কর্মসং’স্থান জো’গাড় করে নিতে হয়েছে ১৪ বছর বয়স থেকে। তাঁর কথায়, “আমার র-”ক্ত, ঘা’ম এবং চো’খের জলই আমাকে স্ব’প্ন দেখতে সা’হস জুগিয়েছে”।

মেয়ের স্কু’লের খ’রচ যোগাতে গিয়ে ছোটখাট যা কিছু সোনার গহনা ছিল সব ব’ন্ধ হয়েছিল মা’ন্যার মাকে। ১৪ বছর বয়সে বাড়ি থেকে পা’লিয়ে যান মান্যা। দিনে প’ড়াশোনা আর রাতে বাসন মেজে কল সে’ন্টারে কাজ করে পড়াশোনার খ’রচ চালাতে হ’য়েছিল তাকে।

শুধুমাত্র কিছু টাকা বাঁ-চাতে রাস্তার পর রাস্তা হেঁ-টে পে’রিয়েছেন তিনি। পুর’স্কা’রের টাকা মা-বাবা আর ভাইয়ের হাতে তুলে দিতে চান মান্যা। উল্লেখ্য, VLCC ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ওয়ার্ল্ড ২০২০-এর মুকুট পেলেন তে’লে’ঙ্গানার ই’ঞ্জি’নিয়ার মানসা বা’রাণসী।

VLCC ফেমিনা মিস গ্র্যান্ড ইন্ডিয়া ২০২০-র তাজ অর্জন করে নিয়েছেন হ’রিয়ানার মেয়ে মনিকা শেওকান্দ। VLCC ফেমিনা মিস ই’ন্ডিয়ার রানার-আপের খে’তাব পে’য়েছেন উত্ত’রপ্র’দেশের কন্যা মান্যা সিং।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close