ঈদের সময় কারফিউ জারির খবর, যা জানালো সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ

ঈদের সময় কারফিউ জারির খবর, যা জানালো সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ

ঈদের সময় কারফিউ জারির খবর, যা জানালো সৌদি আরব কর্তৃপক্ষঈদের সময় কারফিউ জারির খবর, যা জানালো সৌদি আরব কর্তৃপক্ষরমজান বা ঈদের সময় কারফি’উ জা’রি করা হতে পারে বলে ছড়িয়ে পড়া খবরকে গু’জব বলে না’কচ করে দিয়ছে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ডা. মোহামেদ আল-আব্দ আল-আলি বলেন, মাঝে মধ্যেই গুজব ছড়ায়, এখন এই গুজব ছড়িয়েছে এবং এগুলো সত্য নয়। যথাযথ এবং বিশেষজ্ঞ কমিটি পরিস্থিতি গভীরভাবে দেখভাল করছে। তবে রমজান বা ঈদের সময় কা’রফিউ জা’রি করার অনুরোধ জানানো হয়নি। তবে তিনি ক’রো’নাভাই’রা’স মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রতিও জোর আরো’প করেছেন। আল-আলি বলেন, যদি সমাজের সবাই মা’স্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং বিশেষ করে ঈদের সময় গণজমায়েত এ’ড়িয়ে চলে তাহলে আমাদের আরও বি’ধি’নিষেধ বা কা’রফি’উ দিতে হবে না।

তিনি বলেন, দেশটিতে ক’রো’নায় আ’ক্রা’ন্ত হয়ে যাদের অবস্থা বেশি গু’রুত’র তাদের অধিকাংশের বয়স ৬০ বছরের বেশি। এসময় তিনি সবাইকে টি’কা নেয়ার আহ্বানও জানান। শর্ত সাপেক্ষে ফ্লাইট চালু হয়েছে আজ( ১ মে) থেকে। নতুন শর্ত সাপেক্ষে আন্তর্জাতিক কমার্শিয়াল ফ্লাইট চালুর ঘোষণা দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

শর্ত সাপেক্ষে ফ্লাইট চালু : সৌদি থেকে আসলে শুধু হোম কোয়ারান্টাইন তবে সৌদি প্রবাসীদের জন্য সুখবর যে এই মুহূর্তে দেশে ফিরলে তাদের আর হোটেলে বাধ্যতামূলক কোয়ারাইন্টাইনের দরকার হবে না। তাদের কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট থাকলেই তাঁরা বাসায় চলে যেতে পারবেন তবে সেখানে বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের হোম কোয়ারাইন্টাইনে থাকতে হবে।

বেবিচক মোটমাট ৩৮টি দেশের উপর বিভিন্ন রকম শর্ত আরোপ করেছে।কোভিড-১৯ সংক্রমণ বিবেচনায় পৃথিবীর সকল দেশকে মোট তিনটি ভাগে ভাগ করেছে বেবিচক।এর মাঝে ৩৮টি দেশে যাতায়াতে করা হয়েছে শর্ত আরোপ।গ্রুপ-এ হচ্ছে অতি ঝুঁকিপূর্ণ, গ্রুপ-বি হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ, গ্রুপ সি হচ্ছে সাধারণ।বেবিচকের অতি ঝুঁকিপূর্ণ (গ্রু-এ) দেশের তালিকায় রয়েছে ১২টি দেশ।ঝুঁকিপূর্ণ (গ্রুপ-বি) দেশের তালিকায় রাখা হয়েছে ২৬টি দেশের নাম।অতি ঝুঁকিপূর্ণ (গ্রু-এ) ১২টি ও ঝুঁকিপূর্ণ (গ্রুপ-বি) ২৬টিসহ ৩৮টি দেশ ছাড়া বিশ্বের বাকি দেশ রয়েছে গ্রুপ-সি’তে।গণমাধ্যমে বেবিচকের একজন সদস্য জানিয়েছেন যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক এ সকল গ্রুপিং করা হয়েছে।

গ্রুপ এ তে রয়েছে অতি ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশ। এই দেশগুলিতে আসা যাবে না এবং যাওয়ায় যাবে না।আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা, সাইপ্রাস, জর্জিয়া, ভারত, ইরান, মঙ্গোলিয়া, ওমান, সাউথ আফ্রিকা ও তিউনিসিয়া।গ্রুপ বিতে কিছুটা কম ঝুঁকিপূর্ণ ২৩টি দেশ জায়গা পেয়েছে। দেশগুলি হল :অস্ট্রিয়া, আজারবাইজান, বাহরাইন, বেলজিয়াম, চিলি, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, ইরাক, কুয়েত, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুনিয়া, নেদারল্যান্ড, প্যারাগুয়ে, পেরু, কাতার, স্লোভেনিয়া, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক ও উরুগুয়ে।

এই দেশগুলি থেকে বাংলাদেশে আসা যাওয়া করা যাবে। তবে যাত্রীদের অবশ্যই কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট থাকা সত্ত্বেও সরকার নির্ধারিত হোটেলে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারাইন্টাইন করতে হবে।তবে এই গ্রুপে থাকার পরেও কাতার, বাহরাইন ও কুয়েত প্রবাসীরা বাংলাদেশে আসলে সরকার নির্ধারিত হোটেলে শুধুমাত্র ৩ দিন বাধ্যতামূলক কোয়ারাইন্টাইন পালন করবেন।এবং এরপর তাঁরা বাদবাকি ১১ দিন নিজ নিজ বাসায় হোম কোয়ারাইন্টাইনে থাকবেন।এই দুই গ্রুপের বাহিরে বিশ্বের যতগুলি দেশ আছে তার সবগুলিই গ্রুপ সিতে পড়ছে। এই সকল দেশ থেকে বাংলাদেশে আসলে কোন প্রকার কোয়ারাইন্টাইনের দরকার নেই যদি কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট থাকে।

সৌদি প্রবাসীদের জন্য সুখবর হল তাঁরা দেশে আসলে আর কোন প্রকার আনুষ্ঠানিক হোম কোয়ারাইন্টাইন করতে হবে না। কেবল নিজ নিজ বাসায় ১৪ দিনের হোম কোয়ারাইন্টান করলেই চলবে।কারণ সৌদি আরব গ্রুপ সিতে অবস্থান করছে।ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলির ভিতর দিয়ে আসা ট্রানজিট যাত্রীরা যা করবেন : ট্রানজিট হয়ে যাওয়া আসা করা যাবে। তবে দেশে আসার ক্ষেত্রে অতি ঝুঁকিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় থাকা ৩৮টি দেশে ট্রানজিট হয়ে এলে, কোনও অবস্থায় সেই দেশের ভেতরে প্রবেশ করা যাবে না।যাত্রীকে এয়ারলাইন্সের তত্ত্বাবধানে বিমানবন্দরের ভেতরেই থাকতে হবে।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close