পৃথিবীর সব চেয়ে দামি আম চাষ হচ্ছে বাংলাদেশে, প্রতি কেজি ৩ লাখ টাকা

পৃথিবীর সব চেয়ে দামি আম চাষ হচ্ছে বাংলাদেশে, প্রতি কেজি ৩ লাখ টাকা

ফলের রাজা আম। তাই তেমনই তার দাম! চলতি বছরে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান আম চাষে ব্যাপক ক্ষ’তি করেছে। ঝড়ে গিয়েছে আম। তাতে চাষীদের মাথায় হাত। করোনা আর আম্ফানের জোড়া থাবায় মানুষের নাজুক অবস্থা।

মহরেকরকম আম মেলে ভারতবর্ষে। তবে বিশ্বের সব থেকে দামি আম কিন্তু ভারতবর্ষে পাওয়া যায় না। সেই আম এক কেজি কিনতে গিয়ে অনেক ধনী ব্যক্তিও ঢোঁক গিলেন। তাইও নো তামাগো। যার মানে Egg of the sun. এই প্রজাতির আম বিশ্বে সব থেকে দামি। এটির চাষ হয় জাপানের মায়াজাকি অঞ্চলে।

‘বিক্রি হয় অবশ্য গোটা জাপানজুড়ে। প্রতি বছর প্রথম ফলন করা আম নিলামে তোলা হয়। আর সেই আম ‘বিক্রি আকাশছোঁয়া দামে। তবে এই আমের ফলন আর পাঁচটা প্রজাতির আমের মতো হয় না। অর্ডারের উপর নির্ভর করে এই আমের ফলন। এই প্রজাতির আম অর্ধেক লাল, অর্ধেক হলুদ। পৃথিবীর সব চেয়ে দামি আম চাষ হচ্ছে বাংলাদেশে, প্রতি কেজি ৩ লাখ টাকা ফলের রাজা আম। তাই তেমনই তার দাম! চলতি বছরে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান আম চাষে ব্যাপক ক্ষ’তি করেছে। ঝড়ে গিয়েছে আম। তাতে চাষীদের মাথায় হাত। করোনা আর আম্ফানের জোড়া থাবায় মানুষের নাজুক অবস্থা।

মহরেকরকম আম মেলে ভারতবর্ষে। তবে বিশ্বের সব থেকে দামি আম কিন্তু ভারতবর্ষে পাওয়া যায় না। সেই আম এক কেজি কিনতে গিয়ে অনেক ধনী ব্যক্তিও ঢোঁক গিলেন। তাইও নো তামাগো। যার মানে Egg of the sun. এই প্রজাতির আম বিশ্বে সব থেকে দামি। এটির চাষ হয় জাপানের মায়াজাকি অঞ্চলে।

‘বিক্রি হয় অবশ্য গোটা জাপানজুড়ে। প্রতি বছর প্রথম ফলন করা আম নিলামে তোলা হয়। আর সেই আম ‘বিক্রি আকাশছোঁয়া দামে। তবে এই আমের ফলন আর পাঁচটা প্রজাতির আমের মতো হয় না। অর্ডারের উপর নির্ভর করে এই আমের ফলন। এই প্রজাতির আম অর্ধেক লাল, অর্ধেক হলুদ।জাপানে এই প্রজাতির আমের ফলন হয় গরম ও শীতের মাঝে। আর সেই জন্যই এই আমের দাম এমন চড়া হয়। ২০১৭ সালে এই প্রজাতির দুটি আমের নিলামে দাম উঠেছিল ৩৬০০ ডলার।

অর্থাৎ প্রায় দুই লাখ ৭২ হাজার টাকা। সেবার প্রতিটি আমের ওজন ছিল ৩৫০ গ্রাম। অর্থাৎ মাত্র ৭০০ গ্রাম আমের দাম দুই লাখ ৭২ হাজার টাকা। আপনি হয়তো ভাবছেন কী এমন আছে যে এই আমের এমন অ’স্বাভা’বিক দাম! এই আমের চাষ করতে চাষীকে অনেক সা’বধা’নতা অবলম্বন করতে হয়।

প্রতিটি আম গাছে থাকাকালীনই ছোট জালে জড়িয়ে রাখা হয়। তার পর আমগু.লিকে নির্দিষ্ট পজিশনে রাখা হয়। এতে করে সূর্যের আলো আমের একটি নির্দিষ্ট অংশে পড়ে। তাছাড়া আমগুলিকে গাছ থেকে মাটিতে পড়তে দেওয়া হয় না। তারও ব্যবস্থা করা হয়। বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে আমের এক পাশে রুবি রে’ড রং ধ’রানো হয়। আর স্বাদের কথা বলাবাহুল্য। যেমন দাম তেমনইতার স্বাদ ও গন্ধ।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close