প্রতিদিন ফজরের পর থেকে পড়াশোনা করে বিসিএস পরীক্ষার মেধাতালিকায় ১ম হন ফারজানা!

প্রতিদিন ফজরের পর থেকে পড়াশোনা করে বিসিএস পরীক্ষার মেধাতালিকায় ১ম হন ফারজানা!

সামনে ৪৩তম বিসিএসের প্রিলি। হাতে তিন-চার মাসের মতো সময় আছে। এ সময়ই কি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব? কিভাবে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত? প্রার্থীদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?প্রস্তুতি ও সময়—এ দুটি বিষয়ই আপেক্ষিক। যদি কারো সদিচ্ছা থাকে, তার জন্য এই তিন-চার মাসে সব বিষয়ের ওপর এক ধরনের দখল বা জানাশোনা তৈরি করা সম্ভব। যে একেবারেই নতুন,

এর আগে বিসিএসের কিছুই পড়েনি, তাঁর জন্য বলছি—প্রতিটি বিষয় ধরে খুঁটিয়ে পড়ার সময় এখন আপনার নেই। বিগত বছরের প্রশ্নগুলোর সঙ্গে যেকোনো একটি ডাইজেস্ট নিয়ে মিলিয়ে পড়ুন সিলেবাস অনুযায়ী। যদি এভাবে পড়ার পর দেখেন হাতে আরো সময় আছে; তাহলে এত দিনে যেসব বিষয় থেকে দেখেছেন বেশি প্রশ্ন আসে, সেসব বিষয় টেক্সট বই থেকে একটু ঝালিয়ে নিন।

তখন মনে হবে অনেক কিছুই পারেন বা পড়ে ফেলেছেন। পরীক্ষার আগে একটি ভালো মানের মডেল টেস্টের বই কিনে আনুন এবং প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে একটি করে মডেল টেস্ট দিন। এরপর নিজে নিজেই মার্কিং করুন। আর মডেল টেস্টের ফলাফল বুঝে নিজেকে তৈরি করুন।প্রার্থীদের দৈনন্দিন পড়াশোনার রুটিন কেমন হওয়া উচিত? প্রতিদিন প্রস্তুতির পেছনে কয় ঘণ্টা করে সময় দেওয়া উচিত?

—আসলে প্রস্তুতির জন্য দৈনন্দিন রুটিন একেকজনের জন্য একেক রকম। রুটিন যার যার সুবিধামতো কাটছাঁট করতে পারেন। তবে সর্বোপরি এই তিন-চার মাস প্রতিদিন লম্বা সময় বইয়ের সঙ্গেই থাকতে হবে। প্রিলির প্রস্তুতির পেছনে দিনে গড়ে ১০-১২ ঘণ্টা করে সময় দিতে পারলে খুব ভালো হয়।আপনি প্রিলির কয় মাস আগে থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছেন? আপনার প্রতিদিনকার রুটিন বা সময়বণ্টন কেমন ছিল?

আমি প্রিলিমিনারির মোটামুটি মাস ছয়েক আগ থেকে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। আর আমার পড়া শুরু হতো প্রতিদিন ফজরের পর থেকে। একটানা কয়েক ঘণ্টা পড়ে বিরতি নিতাম, তারপর আবার পড়তাম। প্রিলির আগে এভাবে দিনে১০-১২ ঘণ্টা করে পড়েছিলাম।
প্রিলির ক্ষেত্রে প্রার্থীদের চ্যালেঞ্জগুলো কী কী? প্রার্থীরা এগুলো কিভাবে মোকাবেলা করবে?

—প্রিলির পরীক্ষায় পারা-না পারা সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য বেশির ভাগ প্রার্থীই একরকম তাড়াহুড়া করেন। এ অবস্থা থেকে নিজেকে সামলে রাখতে হবে। ‘সঠিক’ নিশ্চিত হয়েই উত্তর করতে হবে। খেয়াল করে না পড়া বা ভাসা ভাসা ধারণার জন্য অনেকের কাছে প্রশ্নের চারটি অপশনকেই ‘সঠিক উত্তর’ মনে হয়। তাই পড়ার সময়ই খেয়াল করে পড়তে হবে, ঠাণ্ডা মাথায় বুঝতে হবে।

প্রিলির প্রস্তুতির জন্য কোন কোন রিসোর্স বেশি কাজে আসবে?—যেকোনো বিষয়ের সহায়ক বইয়ের সঙ্গে টেক্সট বই পাশে রাখলে যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে খুঁজে পাওয়া যায়। চাকরির প্রস্তুতিমূলক ও সমসাময়িক ঘটনার মাসিক ম্যাগাজিনগুলো নিয়মিত পড়া যেতে পারে।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close