ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী ড্রাই ফ্রুটস, কিন্তু রোজ কতটা খাওয়া উচিত?

ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী ড্রাই ফ্রুটস, কিন্তু রোজ কতটা খাওয়া উচিত?

হাইলাইটস ২০১৭ সালে এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, টাইপ ২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে বাদাম বা শুকনো ফল ভালো বিকল্প হতে পারে।
একই সঙ্গে আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে বলা হয়েছে ড্রাই ফ্রুটসের কথা। সুগার রোগীরা তাঁদের ডায়েটে শুকনো ফল অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৭ সালে এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, টাইপ ২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে বাদাম বা শুকনো ফল ভালো বিকল্প হতে পারে। একই সঙ্গে আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে বলা হয়েছে ড্রাই ফ্রুটসের কথা। সুগার রোগীরা তাঁদের ডায়েটে শুকনো ফল অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। যদি আপনি ডায়াবেটিস রোগী হন, তবে বিষয়গুলি কিছুটা জটিল হয়ে যায়, কারণ কী খাওয়া উচিত বা কী খাওয়া উচিত নয় তা বেশিরভাগ মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

কিন্তু এই ড্রাই ফ্রুটস কি আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা সত্যিই নিরাপদ? যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে একজন ডায়াবেটিস রোগী দিনে কতটা শুকনো ফল খেতে পারে সে সম্পর্কে জানা দরকার। ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য কতটা ভালো এই শুকনো ফল? জেনে নিন বিশেষজ্ঞ পরামর্শ-

ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য শুকনো ফল ভালো
বিশেষ করে যদি আপনার ডায়াবিটিস থাকে, তাহলে সীমিত পরিমাণে শুকনো ফল খাওয়া আপনার জন্য খুবই উপকারী। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুকনো ফল এমন ফল, যা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। যেহেতু এগুলি রোদে শুকিয়ে তৈরি করা হয়, তাই এটি পুষ্টিগুলিকে ধরে রাখে। সুতরাং, তাজা ফলের তুলনায়, শুকনো ফলগুলিতে ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সাথে প্রাকৃতিক ফ্রুক্টোজের পরিমাণ বেশি থাকে।

মাত্র ২ থেকে ৩ টুকরো শুকনো ফল কিছু বিশেষজ্ঞ বিশ্বাস করেন, যে অল্প পরিমাণে শুকনো ফল খেলে ডায়াবিটিস রোগীদের ভালো। এটি পুষ্টি পেতে সহায়তা করতে পারে। এর মাধ্যমে তাদের মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছাও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। যদিও অন্যরা মনে করেন যে কম গ্লাইসেমিক সূচকযুক্ত তাজা ফল খাওয়া ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য সর্বোত্তম পন্থা। বিশেষজ্ঞরা মাত্র ২ থেকে ৩ টুকরা খাওয়ার পরামর্শ দেন।

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে ফ্রুক্টোজের পরিমাণ বেশি থাকা সত্ত্বেও, কিছু শুকনো ফল দ্রুত চিনির মাত্রা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং মিষ্টির আকাঙ্ক্ষা মেটাতে পারে। মেড ইন্ডিয়া মেডিকেল রিভিউতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুর, এপ্রিকট এবং কিশমিশের মতো শুকনো ফলগুলির গ্লাইসেমিক সূচক কম থাকে। তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য শুকনো ফল আখরোট
আখরোটে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। এতে রয়েছে ভালো ফ্যাট, যা ক্ষতি করে না বা কোলেস্টেরল বাড়ায় না। এটি খিদে নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে, যা ওজন বৃদ্ধি রোধ করে। যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা তাদের খাদ্যে আখরোট অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

সাবধান! ডায়াবিটিস ছিনিয়ে নিতে পারে আপনার দৃষ্টিশক্তি বাদাম বাদামে খুব ভালো পরিমাণে ফাইবার পাওয়া যায়। এটি শুধু পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে না বরং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। এটি আমাদের হাড়, পেশী এবং স্নায়ুর কার্যকারিতা উন্নত করতে পরিচিত। কিসমিস ডায়াবেটিসে কিসমিস খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। এটি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।ডায়াবিটিস ডায়েট

এপ্রিক এপ্রিকট খাওয়া ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খুব ভালো বলে মনে করা হয়। এটি একটি স্বাস্থ্যকর শুকনো ফল, যা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এর বিশেষত্ব হল এটি প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি। যা শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ খুব বেশি বাড়ায় না। এটি গ্লুকোজের মাত্রা বজায় রাখতেও সাহায্য করে।

আপনার খাবারে কিছুটা স্বাদ যোগ করতে চান, তাহলে এখানে উল্লেখিত পরিমাণে শুকনো ফল খাওয়া ভালো। তবে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডায়েটে অর্ন্তভূক্ত করা উচিত। তথ্য সৌজন্য: নব ভারত টাইমস

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close