ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র ৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে, আসনপ্রতি লড়বেন ৪৫ জন

ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র ৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে, আসনপ্রতি লড়বেন ৪৫ জন

আগামী শুক্রবার (১ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা। এদিন ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে এই ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। প্রথমবারের মতো এবারই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে দেশের ৭টি বিভাগীয় শহরের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার ভর্তির জন্য প্রতি আসনে পরীক্ষা দেবেন ৪৫ জন।

আজ বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল মতিন ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া এবার যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেবে শিক্ষার্থীরা-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

এসময় উপাচার্য বলেন, বারই প্রথম ঢাকার বাইরে ৭ বিভাগে ভর্তি পরীক্ষা হবে। এই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে যে কোনো ধরনের জালিয়াতি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদা তৎপর রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওই সাতটি বিভাগীয় শহরে প্রয়োজনীয় সকল উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিভাগীয় শহরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়াতে শিক্ষার্থীদের অর্থ এবং সময় লাঘব হবে বলে জানান তিনি।

এবার পাঁচটি ইউনিটে মোট শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন করেছেন ৩ লাখ ২৪ হাজার ৩৪০ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ‘ক’ ইউনিটে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৭টি, ‘খ’ ইউনিটে ৪৭ হাজার ৬৩২টি, ‘গ’ ইউনিটে ২৭ হাজার ৩৭৪টি, ‘ঘ’ ইউনিটে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৮১টি এবং ‘চ’ ইউনিটে ১৫ হাজার ৪৯৬টি আবেদন জমা পড়েছে।

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসনসংখ্যা হলো ৭ হাজার ১৪৮টি। এর মধ্যে ‘ক’ ইউনিটে ১ হাজার ৮১৫টি, ‘খ’ ইউনিটে ২ হাজার ৩৭৮টি, ‘গ’ ইউনিটে ১ হাজার ২৫০টি, ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৫৭০ এবং ‘চ’ ইউনিটে ১৩৫টি আসন রয়েছে। সেই হিসেবে এবার ভর্তির জন্য প্রতি আসনে পরীক্ষা দেবেন ৪৫ জন।

এসময় উপাচার্য আরও জানান, সাত বিভাগের বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা ইউনিট হিসেবে কাজ করবে। পরীক্ষা ১১টায় শুরু হয়ে দেড়ঘন্টা চলবে। এছাড়া নম্বর ও ব্যবস্থাপনায়ও পরিবর্তন আসবে বলে জানান তিনি। এমসিকিউ ও লিখিত দুই অংশে যথাক্রমে ৬০ ও ৪০ নম্বরে মানবন্টন হবে এবং চ ইউনিটের জন্য আলাদা মানবন্টন হবে।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close
Close