ঘরে বসেই চুল সোজা করার কার্যকরী পদ্ধতি শিখে নিন

ঘরে বসেই চুল সোজা করার কার্যকরী পদ্ধতি শিখে নিন

পার্লারে চুল (hair) সোজা বা রিবন্ডিং করতে কেমিকল ব্যবহার করা হয়, যা চুলের(hair) জন্য ক্ষতিকর। তবে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে ঘরেই তৈরি করা যায় ‘হেয়ার স্ট্রেইটনিং মাস্ক’। রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে চুল (hair) সোজা করার মাস্ক তৈরির পদ্ধতি এখানে দেওয়া হল। in detailএই হেয়ার মাস্ক তৈরিতে লাগবে:

এককাপ নারিকেলের দুধ। পাঁচ থেকে ছয় টেবিল-চামচ লেবুর রস। ‍দুই টেবিল-চামচ অলিভ অয়েল। তিন টেবিল-চামচ কর্নস্টার্চ (কর্নফ্লাওয়ার)।পদ্ধতি –নারিকেলের দুধ, অলিভ অয়েল এবং লেবুর রস খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর অল্প অল্প করে কর্নস্টার্চ ওই মিশ্রণের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। খুব ভালোভাবে মেশাতে হবে যেন কোনো দানা না থাকে।

এখন মিশ্রণটি অল্প আঁচে চুলায় দিয়ে গরম করতে হবে। এ সময় প্রতিনিয়ত মিশ্রণটি নাড়তে হবে। কিছুক্ষণ পর মিশ্রণটি ঘন ক্রিমের মতো হয়ে যাবে। মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে একটি বয়ামে সংরক্ষণ করুন। গোছলের আগে মিশ্রণটি চুলে (hair) লাগান। কিছুটা শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে।সপ্তাহে দুবার করে টানা দু’মাস ব্যবহার করলেই চুল (hair) সোজা হয়ে যাবে।

তাছাড়া এই মাস্ক ব্যবহারে চুল (hair) ঝলমলে হয় আর সামলানও সুবিধা হয়।পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার কারণগুলো কি কি?আপনি আপনার বয়স কিংবা বিবাহিত কিনা তা উল্লেখ করেননি। এই সব প্রশ্নে এই গুলো উল্লেখ করা উচিত। তবে ধরে নিচ্ছি আপনি অবিবাহিত unmarried। তাহলে বলা যেতে পারে পিরিয়ড (PERIOD) বন্ধ হওয়াটা খুব একটা সমস্যা না। অনেকেরই এরকম হয়।

বিয়ের পর নিয়মিত মিলিত হতে থাকলে ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যায়। তবে সব থেকে ভালো হয় অনিয়মিত পিড়িয়ডের ব্যাপারে ডাক্তার দেখিয়ে পরীক্ষা test করে নিলে। তাহলে সঠিক ভাবে জানতে পারবেন। তবে এটা নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করবেন না কারণ মানসিক সমস্যাও পিরিয়ড (PERIOD) বন্ধ হওয়ার একটি অন্যতম কারণ হতে পারে।মেয়েদের পিরিয়ড (period) / মাসিক/ ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার কিছু কারণ নিচে উল্লেখ করা হল:প্রজনন হরমোনগুলোর প্রাকৃতিক ক্রম হ্রাস পাওয়া : সাধারণত ৩০ দশকের শেষের দিকে মহিলাদের ডিম্বাশয় থেকে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ কমে যায়। এ সময় ডিম্বাশয়ে ডিম্বস্ফোটন প্রক্রিয়াটি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

আর ডিম্বস্ফোটনের পর প্রোজেস্টেরন হরমোনের জোয়ার আসাটাও দুর্বল হয়ে যায়। ফলে সার্বিকভাবে এ সময় সন্তান ধারণ ক্ষমতা অনেকখানি কমে যায়। ৪০-এর দশকে এটা আরও প্রকট আকার ধারণ করে। মাসিক চক্র অনিয়মিত হতে থাকে এবং নানাবিধ উপসর্গ সৃষ্টি হতে থাকে। একপর্যায়ে মেয়েদের পিরিয়ড (period) একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়।জরায়ু অপসারণ বা হিস্টেরেকটমি : বিভিন্ন কারণে মহিলাদের জরায়ু অপসারণ করে ডিম্বাশয় সংরক্ষণ করা হলে নিয়মিত মেয়েদের পিরিয়ড বন্ধ হলেও অন্যান্য লক্ষণ-উপসর্গ প্রশমিত হয় না।

কিন্তু হিস্টেরেকটমির পাশাপাশি ডিম্বাশয় দুটিও অপসারণ করা হলে অবিলম্বে পিরিয়ড(period) বন্ধ র লক্ষণ প্রকাশ পায়।* ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য কেমোথেরাপি এবং রেডিও থেরাপি প্রয়োগ করার ২ থেকে ৬ মাসের মধ্যে মেয়েদের পিরিয়ড (period) বন্ধ নানাবিধ লক্ষণ-উপসর্গ প্রকাশিত হতে দেখা যায়।ডিম্বাশয়ের প্রাথমিক অসম্পূর্ণতা : অনেক মহিলার বয়স ৪০ অতিক্রম করার আগেই র শিকার হন।

সাধারণত এদের ডিম্বাশয় বিভিন্ন কারণে প্রয়োজনীয় হরমোন তৈরি করতে পারে না। বিভিন্ন রোগের কারণে ডিম্বাশয়ের এরকম সমস্যা হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে কোন সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই এমনটি ঘটতে দেখা যায়।মেয়েদের পিরিয়ড (period) বন্ধ হবার আগে থেকেই এর লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা যায়। এসব লক্ষণ-উপসর্গের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:অনিয়মিত স্রাব, যৌ,নাঙ্গের শুষ্কতা, তাপঝলক, ঘুমের নানা রকম সমস্যা, মানসিক অস্থিরতা, বিষন্নতা, পেটে মেদ জমা, চুল (hair) পাতলা হওয়া, চুল (hair) পড়ে যাওয়া, স্তন ক্ষীণ হওয়া এবং সার্বিকভাবে সন্তান

ধারণের ক্ষমতা লোপ পাওয়া।রজঃনিবৃত্তির পর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ইস্টোজেন হরমোনের অভাবের ছাপ পড়ে।যেমন:হৃদরোগ : ইস্ট্রোজেন কমে যাওয়ার ফলে পিরিয়ড (period) বন্ধ হওয়ার পর হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। মেয়েদের পিরিয়ড(period) বন্ধ হওয়ার পর পুরুষদের মতো মহিলাদেরও হৃদরোগের হার ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়।অস্থি ভঙ্গুরতা : মেয়েদের পিরিয়ড(period) বন্ধ হওয়ার পর প্রথম কয়েক বছর অতি দ্রুত অস্থির ঘনত্ব কমে যায় যা অস্থিক্ষয় নামে পরিচিত। এর ফলে হাড় নরম এবং ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।

সাধারণত মেয়েদের পিরিয়ড (period) বন্ধ হওয়ার পর মেয়েদের নিতম্ব, কবজি, শিরদাঁড়া ইত্যাদি হাড় ভাঙ্গার প্রবণতা অনেকগুণ বেড়ে যায়।মূত্র ধারণে সমস্যা : মেয়েদের পিরিয়ড ব(period) ন্ধ হওয়ার পর মূত্রনালী এবং যৌনাঙ্গের আবরণী এবং ইলাস্টিক কলা অনেক দুর্বল হয়ে যায়। ফলে মূত্রথলিতে মূত্র ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায়। হাসি-কাশি কিংবা ভারী জিনিসপত্র ওঠানো নামানো করতে গেলেই অনেকের মূত্র নিঃসরণ হয়ে যায়।স্থূলকায় : মেয়েদের পিরিয়ড (period) বন্ধ হওয়ার সময় অনেক মহিলার ওজন বেড়ে যায়।

এজন্য এ সময় খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করা এবং অতিরিক্ত ব্যায়াম করা উচিত।মেয়েদের পিরিয়ড (period) বন্ধ হওয়া শনাক্ত করার জন্য তেমন পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয় না। তবে কোন ধরনের সন্দেহ থাকলে বিভিন্ন হরমোনের মাত্রা নির্ধারণ করার প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া মেয়েদের পিরিয়ড (period) বন্ধ হওয়ার সঙ্গে হৃদরোগ, হাড়ের সমস্যা ইত্যাদি জটিলতা রয়েছে কি না তা শনাক্ত করার জন্য কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার প্রয়োজন হতে পারে।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Back to top button
Close
Close