রোজ ২ টি করে ডিম খেলে কি হয় জানেন? দেখুন একবার, ছেলেরা অবশ্যই দেখুন

রোজ ২ টি করে ডিমখেলে কি হয় জানেন? দেখুন একবার, ছেলেরা অবশ্যই দেখুন

health tips অনেকেই আছেন যারা ডিম খেতে খুব ভালোবাসেন, আবার এমন ও অনেকে আছেন, যারা ডিম খেতে পছন্দ করেন না। তবে ডিমের অবশ্যই কিছু পুষ্টি উপাদান আছে। ডিমে থাকে নানা রকমের প্রোটিন উপাদান।যা শরীর সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।এছাড়া ও ডিমের আরো অনেক গুণাবলী রয়েছে। আসুন জেনে নেয়া যাক নিয়মিত ডিম খাওয়া ভালো নাকি খারাপ, আর যদি ভালো হয় তাহলে কতটা ভালো এবং খারাপ হলেই বা কতটা খারাপ।

১. হার্টের সমস্যার ক্ষেত্রে ডিম অপরিহার্য।কারণ এল. ডি. এল কোলেস্টেরলকে মন্দ কোলেস্টেরল বলেই বলা হয়।ডিম এই কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেক কমিয়ে দেয়, ফলে হার্টের সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়।ডিমে থাকে ভালো কোলেস্টেরল, যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়, ফলে শরীর অনেক সুস্থ থাকে। এই ডিম খাওয়ার পরামর্শ অনেক গবেষকরাই দিয়ে থাকে।

২. নিয়মিত ডিম খেলে শরীরের রোগ জীবাণু, ভাইরাস অনেক পরিমাণে কমে যায়। এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও অনেকাংশে বেড়ে যায়।শুধুমাত্র বড়দের নয়, শিশুদের শরীরেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে সাহায্য করে এই ডিম।এবং এর ফলে অনেক ভাইরাস ঘটিত রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে না। ৩. ডিমের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি, যা এনার্জি প্রদান করে থাকে। অনেকেই আছেন যারা খুব ছোটো কাজ করতে গিয়ে ও হাপিয়ে ওঠে, তাদের নিয়মিত একটি করে ডিম খাওয়া উচিত। এটি শরীরে এনার্জির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

৪. মস্তিষ্কের প্রয়োজনীয় উপাদান কোলিন রয়েছে এই ডিমের মধ্যে।এর অভাবে মস্তিষ্কের নানা রকম রোগের সৃষ্টি হয়। অনেক মানুষই আছেন যারা ডিম খান না আবার অনেকে এটি খেতে পছন্দ ও করেন না, তাদের মধ্যে প্রায়শই মস্তিষ্কের রোগের প্রকোপ দেখা গিয়েছে।তাই নিয়মিত ডিম খেলে কোলিনের মাত্রা ঠিক থাকে এবং মস্তিষ্কের রোগের পরিমাণ কমে যায়।

৫. আমাদের শরীরে 20 টি অ্যামিনো অ্যাসিডের প্রয়োজন আছে।কিন্তু মানুষের শরীর সেই 20 ধরণের অ্যামাইনো অ্যাসিড তৈরি করতে পারে না। কেবল 11 টি অ্যামাইনো অ্যাসিড তৈরি করতে পারে, বাকি 9 টি তৈরি করতে পারে না। এই 9 ধরণের অ্যামাইনো অ্যাসিড আসে ডিম থেকে, ফলে নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে অ্যামাইনো অ্যাসিডের ঘাটতি পূরণ হয়। এবং শরীর সুস্থ থাকে।

৬. ডিমে 2 ধরণের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, যা চোখের জন্য খুবই উপকারী। ডিমের কুসুমে থাকে এই উপাদান। তাই অকালে চোখ হারাতে বা চোখের কোনো সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে হলে আজই শুরু করুন নিয়মিত ডিম খাওয়া।

৭. ডিম প্রাকৃতিক ভিটামিন ডি এর উৎস। এটি ক্যালশিয়াম গ্রহণ করতে সাহায্য করে।আর এই ক্যালশিয়ামের অভাবেই হাড় এবং দাঁত দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ক্যালশিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখতে আজ থেকেই শুরু করুন ডিম খাওয়া। এবং হাড় ও দাঁতের ক্ষয় এর হাত থেকে মুক্তি পান। ৮. ডিমে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকে যা বাড়তি খাওয়ার চাহিদা কমিয়ে দেয়। অনেকেই এমন আছেন যারা খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের আবার খিদে পেয়ে যায়।

ফলে তারা যখন আবার খাবার খায়, সেই বাড়তি খাবারের জন্য তাদের ওজন বেড়ে যায়, তাদের জন্য ডিম খুবই উপকারী। ডিম এই বাড়তি খিদে মিটিয়ে দেয় ফলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কমে যায়। তাই বলা হয় ডিম ওজন কমাতে সাহায্য করে। এগুলি ছিল ডিমের স্বাস্থ্য গুণ। তবে যাদের ডিম খেলে কোনোরকম সমস্যা হয় এগুলো তাদের জন্য না।যাদের কোনোরকম সমস্যা হয়না, তারা এগুলি করতে পারেন, ফল অবশ্যই পাবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে জানিয়ে দিন।

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Back to top button
Close
Close