Home / Lifestyle / চোখের জল ছাড়াই পেঁয়াজ কাটার পাঁচটি দারুণ কৌশল!

চোখের জল ছাড়াই পেঁয়াজ কাটার পাঁচটি দারুণ কৌশল!

রান্না মানেই তার স্বাদ বাড়ানোর জন্য লবণ, মরিচের মতো পেঁয়াজও ব্যবহার করা। এক কথায় প্রতিদিনের রান্না পেঁয়াজ ছাড়া চিন্তা করা কষ্টকর। এমনকি মজাদার সব ভর্তা তৈরিতেও পেঁয়াজ ব্যবহার আবশ্যক।তবে সব থেকে বড় বিপত্তি হচ্ছে পেঁয়াজ কাটা নিয়ে। কারণ পেঁয়াজ কাটতে গেলে কান্না করতে হবেই। এই কারণে অনেকেই পেঁয়াজ কাটতে ভয় পান। তবে জানেন কি, আজকে আপনাদের জন্য রয়েছে এমন দারুণ পাঁচটি কৌশল যা আপনাকে সাহায্য করবে কান্না ছাড়াই পেঁয়াজ কাটতে। কি অবাক হচ্ছেন! অবাক হলেও এটি সত্যি। দেরি না করে চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই কৌশলগুলো- 1. পেঁয়াজের পেছনের অংশ না কাটা- পেঁয়াজ কাটার প্রথমেই পেঁয়াজের দুই পাশের অংশ কেটে নেয়া হয়। তবে ঝাঁজ যেন কম লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে চাইলে পেঁয়াজের পেছনের অংশটি না কেটে রেখে দিন। সে অংশটি থাকা অবস্থায় পেঁয়াজ ছিলে প্রয়োজনমতো টুকরা করে নিন। বলা হয়ে থাকে, পেঁয়াজের এই অংশে সালফারের উপস্থিতি থাকে সবচেয়ে বেশি। এই অংশটি কাটা না হলে সালফার কম নিঃসৃত হবে এবং ঝাঁজ কম লাগবে। 2. মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখা- মোমবাতি থেকে নির্গত তাপ পেঁয়াজের অ্যাসিড এনজাইমকে ল্যাকরিমাল গ্রন্থি পর্যন্ত পৌঁছতে বাধা দেয়। এতে করে চোখে জ্বালাপোড়া ভাব দেখা দেয় না এবং কান্না আসে না। তাই পেঁয়াজ কাটার সময় হাতের কাছে মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখুন। 3. পানিতে পেঁয়াজ ভিজিয়ে রাখা- পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর স্বাভাবিক নিয়মে পেঁয়াজ কেটে নিন। পানিতে ভিজিয়ে রাখার ফলে পেঁয়াজের সালফার যৌগ যা চোখে জ্বলুনি তৈরি করে সেটা অনেকখানি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে যায়। এতে করে পেঁয়াজ কাটার সময় চোখে ঝাঁজ কম লাগে। 4. পেঁয়াজ ফ্রিজে রাখা- পেঁয়াজ কাটার আগে খোসা ছাড়িয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের জন্য রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন। ফ্রিজ থেকে বের করে পানিতে ধুয়ে নিয়ে এরপর কাটুন। এই নিয়মেও পেঁয়াজ কাটার সময় চোখে ঝাঁজ কম লাগবে। 5. চুইংগাম চিবানো- চুইংগাম চিবোনোর কারণে মুখ দিয়ে বারবার শ্বাস নিতে হয়। এর ফলে পেঁয়াজ থেকে বের হওয়া ঝাঁজ তুলনামূলক কম মাত্রায় নাকের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে। ফলস্বরূপ চোখে ঝাঁজ ও জ্বলুনি কম কম দেখা দেয়।

About ayeen

Check Also

যেখানে সেখানে ফোন চার্জে দিয়ে ডেকে আনছেন বড় বিপদ

মোবাইল এখন প্রতিটি মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী। এক মুহূর্ত এখন নিজেকে ফোন ছাড়া চিন্তা করা কঠিন। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Recent Comments

No comments to show.